অর্থায়ন বিল নিয়ে দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি কার্যক্রম আংশিকভাবে শাটডাউন রয়েছে। ২০২৫ অর্থবছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবার রাত ১২টা ১ মিনিটে (স্থানীয় সময়) অর্থায়নের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এর ফলে অপ্রয়োজনীয় খাতের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও জরুরি খাত যেমন সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারদের কাজ চালু থাকবে। তবে তারা আপাতত বেতন পাননি।
এই শাটডাউন ১৯৮০ সালের পর যুক্তরাষ্ট্রে ১৫তম হলেও এবারের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, শাটডাউনকে কাজে লাগিয়ে “অনেক ফেডারেল কর্মীকে” চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “শাটডাউনের সময় আমরা এমন কিছু করতে পারব যা ডেমোক্র্যাটদের জন্য খারাপ এবং তারা তা উল্টাতে পারবে না।”
সাবেক হোয়াইট হাউস আইনজীবী রিচার্ড পেইন্টার বলেন, ট্রাম্পের এ ধরনের হুমকি “চেনা শক্তি প্রদর্শনের কৌশল” এবং কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া নাগরিক সুরক্ষা আইনে সুরক্ষিত কর্মীদের ছাঁটাই সম্ভব নয়।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বাজেট বিল নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব চলছে। মঙ্গলবার রাতে রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত অস্থায়ী বিল ৫৫-৪৫ ভোটে ব্যর্থ হয়। ডেমোক্র্যাটদের প্রস্তাবও ৪৭-৫৩ ভোটে অনুমোদিত হয়নি।
ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার অভিযোগ করেছেন, “রিপাবলিকানরা নিজেদের স্বাস্থ্যসেবা সংকট সমাধান না করে সরকারকে শাটডাউনে ঠেলে দিয়েছে।” হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসের ডেমোক্র্যাট নেতা হাকিম জেফ্রিজ বলেন, “রিপাবলিকানরা ইচ্ছাকৃতভাবে সাধারণ আমেরিকানদের ক্ষতি করছে।” রিপাবলিকান সিনেট মেজরিটি লিডার জন থুন বলেন, “সবকিছুই কেবল ডেমোক্র্যাটদের রাজনৈতিক স্বার্থ মেটানোর জন্য করা হয়েছে।”
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

