AB Bank
  • ঢাকা
  • রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
আমদানি ৪.৮ লাখ মেট্রিক টন

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াচ্ছে সরকার


Ekushey Sangbad
অর্থ-বাণিজ্য ডেস্ক
০২:৩৬ পিএম, ৪ জুলাই, ২০২৬

জ্বালানি তেলের মজুত বাড়াচ্ছে সরকার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে ৪ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখা, শিল্প ও কৃষি উৎপাদন অব্যাহত রাখা এবং আকাশপথের যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশের ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করতে ৩ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল (গ্যাস অয়েল) এবং ৯০ হাজার মেট্রিক টন জেট ফুয়েল আমদানি করা হবে।

আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড এ জ্বালানি সরবরাহ করবে। পুরো আমদানিতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৭ হাজার ৬৭২ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বা ৬২ কোটি ২৫ লাখ মার্কিন ডলার।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সরকার সাধারণত প্রতি ছয় মাস পর দেশের চাহিদা অনুযায়ী ডিজেল ও জেট ফুয়েল আমদানি করে। জুন থেকে আগস্ট সময়ের চাহিদা বিবেচনায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) এ প্রস্তাব পাঠায়, যা সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন পেয়েছে।

ইতোমধ্যে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (এনওএ) দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত চুক্তির পর দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে দেশে প্রায় ৬০ দিনের জ্বালানি মজুত রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য তা বাড়িয়ে ৯০ দিনে উন্নীত করা। তাদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা ও হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম, জাহাজ ভাড়া এবং যুদ্ধঝুঁকি বিমা ব্যয় বেড়েছে। ফলে আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে অতিরিক্ত মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে।

বিপিসির প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা ও ডলারের বিনিময় হার পরিবর্তনের কারণে চূড়ান্ত ব্যয় কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। এ আমদানির অর্থ বিপিসির নিজস্ব তহবিল থেকে পরিশোধ করা হবে, প্রয়োজনে ঋণ বা সরকারি সহায়তা নেওয়া হবে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই এবং সরবরাহ ব্যবস্থাও স্বাভাবিক রয়েছে। ডলার সংকটের মধ্যেও এলসি খোলায় অগ্রাধিকার দেওয়ায় আমদানি কার্যক্রমে বিঘ্নের আশঙ্কা নেই।

পাশাপাশি বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জ্বালানির মূল্য নির্ধারণে স্বয়ংক্রিয় ফর্মুলা বাস্তবায়ন এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় মজুত সক্ষমতা আরও বাড়ানোর উদ্যোগও অব্যাহত রয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!