AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঈদ সামনে, বাড়ছে মসলার দাম


Ekushey Sangbad
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
১২:৪১ পিএম, ১৬ মে, ২০২৬

ঈদ সামনে, বাড়ছে মসলার দাম

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারগুলোতে বাড়তে শুরু করেছে বিভিন্ন মসলার দাম। এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচামরিচ, জিরা ও গরম মসলাসহ বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে বাড়তি খরচের চাপে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।

শনিবার (১৬ মে) রাজধানীর রামপুরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। দেশি রসুনের দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, কাঁচামরিচ ১৪০ টাকা এবং আমদানি করা চীনা রসুন ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া তেজপাতা ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, আদা ২০০ টাকা, ধনিয়ার গুঁড়া ২০০ থেকে ২৮০ টাকা, হলুদ গুঁড়া ৪০০ টাকা এবং শুকনো মরিচের গুঁড়া ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দারুচিনির দাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, জিরা ৭০০ টাকা, জিরার গুঁড়া ৮০০ টাকা, লবঙ্গ ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা এবং এলাচ ৪৬০০ থেকে ৫৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে মসলার চাহিদা বাড়ায় বাজারে দামও বেড়েছে। পাশাপাশি আমদানি ব্যয় ও সরবরাহ খরচ বৃদ্ধির প্রভাবও রয়েছে।

তুলনামূলকভাবে এপ্রিল মাসে এসব পণ্যের দাম কিছুটা কম ছিল। এক মাসের ব্যবধানে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৫ থেকে ১৫ টাকা, দেশি রসুন ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪০ টাকা, আদা ২০ টাকা এবং জিরা প্রায় ১২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে জিরার গুঁড়া, দারুচিনি ও লবঙ্গের দামেও বৃদ্ধি দেখা গেছে।

তবে চীনা রসুন, তেজপাতা, ধনিয়ার গুঁড়া, হলুদ গুঁড়া, শুকনো মরিচের গুঁড়া ও এলাচের দামে বড় ধরনের পরিবর্তন হয়নি।

বাজার করতে আসা একাধিক ক্রেতা জানিয়েছেন, উৎসব এলেই নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়। এতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের সংসার খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে।

রামপুরা বাজারের এক মসলা ব্যবসায়ী বলেন, ঈদের সময় গরম মসলার চাহিদা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে জিরা, লবঙ্গ, দারুচিনি ও মরিচের বিক্রি বেশি হয়। ফলে পাইকারি বাজারে দাম বাড়লে খুচরা বাজারেও তার প্রভাব পড়ে।

এদিকে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন মনে করেন, কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে মসলার বাজারে চাপ তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার দাম বৃদ্ধির হার কিছুটা কম।

তিনি বলেন, বাজারে চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দাম বাড়াতে পারছেন না। এছাড়া অনেক আমদানিকারক আগেই মসলা মজুত করে রেখেছেন।

সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের দুর্বল অবস্থানের সুযোগ নিয়ে কিছু ব্যবসায়ী অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়াচ্ছেন।

 

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

Link copied!