বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দামে বড় দরপতন হয়েছে। একদিনে ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ পতন হয়েছে।
রোববার (২২ মার্চ) বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট ‘গোল্ডপ্রাইস’ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস-এর তথ্য অনুযায়ী এক দিনেই এই মূল্যবান ধাতুর দাম ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে। সবশেষ বাজার দর অনুযায়ী প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১০৮ দশমিক ৮৩ ডলার কমে ৪ হাজার ৪৯৪ ডলারে নেমে এসেছে।
বিশ্ববাজারে এই আকস্মিক নিম্নমুখী প্রবণতার কারণে বাংলাদেশের বাজারেও স্বর্ণের দাম পুনরায় কমার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে আন্তর্জাতিক বাজারের এই প্রভাব শীঘ্রই স্থানীয় বাজারে প্রতিফলিত হতে পারে।
বাজুসের নীতি অনুযায়ী স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দামের ওপর ভিত্তি করে অলঙ্কারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এক দফায় কমিয়েছিল।
সেদিন ভরিতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল যা ওইদিন বিকেল থেকেই কার্যকর হয়। বাজুস প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর তাঁরা সার্বক্ষণিক নজর রাখছেন এবং যেকোনো সময় নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করা হতে পারে।
সাধারণত বিশ্ববাজারে বড় ধরনের দরপতন হলে দেশের সাধারণ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে দাম কমার প্রত্যাশা তৈরি হয়।বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা এবং ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকায় বেচাকেনা চলছে। সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি বর্তমানে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকা নির্ধারণ করা আছে।
ডলারের বিপরীতে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার মান পরিবর্তন এবং ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে এই অস্থিরতা চলছে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা।
দেশের জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা মনে করছেন যদি বিশ্ববাজারে এই পতনের ধারা অব্যাহত থাকে তবে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এটি বড় একটি স্বস্তির খবর হতে পারে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

