ঢাকা শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর, ২০২০, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭
Ekushey Sangbad
Janata Bank
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ৩১ নির্দেশনা

বাংলাদেশের জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন বিশ্ব ব্যাংকের


Ekushey Sangbad

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০, ০৪:২৭ পিএম
বাংলাদেশের জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন বিশ্ব ব্যাংকের

একুশে সংবাদ : বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে নিরাপদ পানি ও স্যানিটেশন সেবার প্রাপ্তি ও উন্নতিকল্পে এবং স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে তুলতে নতুন প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিশ্বব্যাংক। 'বাংলাদেশ রুরাল ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন ফর হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট' শীর্ষক প্রকল্পতে এ জন্য ২০০ মিলিয়ন ডলার অনুমোদন দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শনিবার এ অনুমোদন দেয় সংস্থাটি। এ অর্থ ‘বাংলাদেশ রুরাল ওয়াটার, স্যানিটেশন অ্যান্ড হাইজিন ফর হিউম্যান ক্যাপিটাল ডেভেলপমেন্ট প্রোজেক্ট’-এ ব্যয় করা হবে। এ প্রকল্প গ্রামীণ অঞ্চলে প্রায় ৬ লাখ মানুষকে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি পেতে সহায়তা করবে। এছাড়া এ প্রকল্প ৩.৬ মিলিয়নেরও বেশি গ্রামীণ মানুষকে উন্নত স্যানিটেশন সেবা সরবরাহ করবে। ময়মনসিংহ, রংপুর, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ৭৮টি উপজেলার আওতাধীন এ প্রকল্প বাড়িতে ও পাবলিক প্লেসে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলোর আরও ভালো প্রাপ্তি নিশ্চিত এবং জনগণকে যথাযথভাবে হাতধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে এটি কোভিড-১৯ মহামারিসহ সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব থেকে রক্ষা করবে। বাজার, বাস স্টেশন ও কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোর মতো জনাকীর্ণ পাবলিক স্পেসগুলোতে প্রকল্পের আওতায় ২ হাজার ৫১৪টি হাতধোয়ার স্টেশন করবে। যাতে পানি, নিষ্কাশন ও স্যানিটেশন সুবিধার পাশাপাশি ওভারহেড ট্যাঙ্ক ও সাবানের ব্যবস্থা থাকবে। বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর (বাংলাদেশ ও ভুটান) মের্সি টেম্বন বলেন, সবার জন্য প্রয়োজনীয় পানির প্রাপ্তি নিশ্চিত করা এবং খোলাস্থানে মলত্যাগ বন্ধের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। তবে পানি ও স্যানিটেশনের মান এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও জীবনমান উন্নয়নের মধ্যে যোগসূত্র একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, এই প্রকল্পটি নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা প্রদান করবে, যা ডায়রিয়াজনিত রোগ হ্রাস করবে; পুষ্টি ও স্বাস্থ্য উন্নত করবে। বিশেষত দুর্বল জনগোষ্ঠীকে উপকৃত করবে। এটি দেশকে দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করবে। একুশে সংবাদ/এআরএম/আর.টি/২৬/০৯/২০২০