AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

খাল খনন শেষে সাড়ে ১২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও



খাল খনন শেষে সাড়ে ১২ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিলেন ইউএনও

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত মান বজায় রেখে সম্পন্ন করার পর অব্যয়িত ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। সরকারি প্রকল্পের কাজ শেষে বিপুল পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় করে কোষাগারে জমা দেওয়ার এ উদ্যোগ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশংসিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হাজিপুর ইউনিয়নের জলই নদীর ১০ দশমিক ৯০ কিলোমিটার এবং পীরগঞ্জ ইউনিয়নের চাপোর খালের ২ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার পুনঃখননের জন্য সরকার প্রায় ২ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। প্রকল্পের আওতায় খননকাজের পাশাপাশি খালের দুই তীরে প্রায় ৮ হাজার ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

প্রশাসনের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে।

শ্রমিকদের মজুরি, যন্ত্রপাতি, পরিবহনসহ প্রকল্পের সব ব্যয় নির্বাহের পর বরাদ্দের অবশিষ্ট ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৪ টাকা সরকারি আর্থিক বিধিমালা অনুসরণ করে কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।

প্রকল্পটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত নিবিড়ভাবে তদারকি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম রব্বানী সরদার এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম। তাদের মতে, পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা, স্বচ্ছতা এবং কঠোর নজরদারির কারণে কাজের মান অক্ষুণ্ন রেখেই অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব হয়েছে।

হাজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদিন বলেন, সরকারি প্রকল্পের কাজ শেষে অব্যয়িত অর্থ কোষাগারে ফেরত দেওয়ার ঘটনা খুব একটা দেখা যায় না। ইউএনওর সততা ও দায়িত্বশীলতা প্রমাণ করেছে যে, সঠিক তদারকি থাকলে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করা সম্ভব।

পীরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোখলেসুর রহমান বলেন, সরকারি অর্থ জনগণের সম্পদ। কাজের মান বজায় রেখে অব্যয়িত অর্থ ফেরত দেওয়ার এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয় এবং অন্য উপজেলাগুলোর জন্যও অনুসরণীয় হতে পারে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রব্বানী সরদার বলেন, “সরকারি অর্থ জনগণের আমানত। প্রকল্পের প্রতিটি ধাপে প্রয়োজনীয় ব্যয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রাখা হয়েছে। কাজ শেষে যে অর্থ অবশিষ্ট ছিল, বিধি মেনে তা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!