চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার একটি লবণ কারখানায় বিস্ফোরণে দগ্ধ দুই শ্রমিক চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। একই ঘটনায় আরও তিন শ্রমিকের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
নিহতরা হলেন বোয়ালখালী উপজেলার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার রুহুল আমিনের ছেলে দিদারুল আলম (৩২) এবং পটিয়া উপজেলার হুলাইন গ্রামের মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৫)। দিদারুল আলমের শরীরের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং নুরুল আলমের শরীরের প্রায় ৬৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ১১টায় তাদের নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে বোয়ালখালী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকার কনফিডেন্স লবণ কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ জন শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের মধ্যে ১০ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে দুজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে যান।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক জানান, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচজনকে বৃহস্পতিবার বিকেলে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তাদের মধ্যে রাতে দুজন মারা যান। বাকি তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, লবণ কারখানায় আগুন লাগার বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি। তিনি বলেন, “আগুন লাগার বিষয়টি আমাদের কাছে গোপন রাখা হয়েছে। আমাদের দল ঘটনাস্থলে গিয়েও আগুনের কোনো আলামত পায়নি। পরে জানতে পারি, দগ্ধ হয়ে ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।”
ঘটনার কারণ এবং বিস্ফোরণের প্রকৃত উৎস জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

