AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ভাঙ্গায় ছয় গ্রামের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১



ভাঙ্গায় ছয় গ্রামের সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় কিশোরদের মধ্যে পূর্বের বিরোধের জেরে কুমার নদের দুই পাড়ের ছয় গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে সুমন মুন্সি (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দক্ষিণ পাড়ের ১০ থেকে ১৫টি দোকান ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহত সুমন মুন্সি কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের মিলন বাবুর্চির ছেলে। তার মৃত্যুর বিষয়টি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় দুই মাস আগে হাসামদিয়া গ্রামের দুই কিশোরের সঙ্গে কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের ইসমাইল মুন্সির এক ভাগিনার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করা হয়। তবে মঙ্গলবার বিকেলে এক্সপ্রেসওয়ের ফ্লাইওভারের কাছে ইসমাইল মুন্সির আরেক ভাগিনা শরিফুলের সঙ্গে ওই ঘটনার জের ধরে আবারও দুই কিশোরের বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যায় পূর্ব হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।

একপর্যায়ে পাশের আরও চার গ্রামের লোকজন এতে জড়িয়ে পড়েন। স্থানীয়দের অভিযোগ, উভয় পক্ষ মাইকে ঘোষণা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র, ঢাল, সড়কি, টেঁটা ও ইট-পাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে অংশ নেয়। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে থেমে থেমে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া চলে।

সংঘর্ষে সুমন মুন্সি গুলিবিদ্ধ হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় সংঘর্ষকারীরা দক্ষিণ পাড়ে ঢুকে ১০ থেকে ১৫টি দোকান ভাঙচুর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষের কারণে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে এবং দুর্ভোগে পড়েন দূরপাল্লার যাত্রীরা।

সংঘর্ষের শুরু থেকেই ভাঙ্গা থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে ব্যাপক ইট-পাটকেল নিক্ষেপের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বেগ পেতে হয়। পরে গুলিবিদ্ধ যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শান্ত হয়।

নিহতের ঘটনায় বুধবার সকাল ১০টায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ভাঙ্গা-বরিশাল মহাসড়কে ২২টি গ্রামের মানুষকে জড়ো হওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, “এক যুবকের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!