ঝালকাঠির রাজাপুরে জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক মোসা. রিয়া আকতারের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
সোমবার দুপুরে রাজাপুরের রয়্যাল ক্যাফেতে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী অমূল্য চন্দ্র হালদারের পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন তার মেয়ে অনামিকা হালদার।
তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালে রাজাপুর মৌজার ৫ দশমিক ১ শতাংশ জমি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় রিয়া আকতারের কাছে বিক্রি করা হয়। সে সময় জমি মাপজোক করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
পরিবারটির দাবি, ২০২৪ সালের শেষদিকে রিয়া আকতার ওই জমি ৬ দশমিক ১ শতাংশ হিসেবে রেকর্ড করিয়ে নেন। অতিরিক্ত ১ শতাংশ জমি নিয়ে বর্তমানে বরিশালের একটি আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত ২৮ জুন সকালে রিয়া আকতার ও তার স্বামী, উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা মো. রফিক হাওলাদারের নেতৃত্বে কয়েকজন লোক এসে জমির সীমানার বেড়া ও টিনের ঘর ভাঙচুর করে জমি দখলের চেষ্টা করেন। এ সময় তাদের হুমকিও দেওয়া হয়।
অমূল্য চন্দ্র হালদার বলেন, ‘থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আমরা এখনও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। প্রতিকার তো পাইনি, উল্টো নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে রিয়া আকতার বলেন, ‘জমি বিক্রির সময় মেপে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। আমাকে পরে মেপে নিতে বলা হয়েছিল। এরপর আমিন দিয়ে জমি মেপে সীমানা পিলার স্থাপন করেছি। সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
উল্লেখ্য, একই দলিলে রাজাপুর মৌজার আরও ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ জমি সমীর চন্দ্র মালাকারের কাছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।
এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, ‘ঘটনাটি আমার জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

