AB Bank
  • ঢাকা
  • সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ঢলের পানি নামছে, খুলে দেওয়া হলো সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি,সিলেট
০৫:৩১ পিএম, ২২ জুন, ২০২৬

ঢলের পানি নামছে, খুলে দেওয়া হলো সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র

সিলেটের প্রধান নদী সুরমাসহ বেশ কয়েকটি নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে। তবে ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলও থামেনি। ফলে বন্যার শঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এদিকে ঢলের পানিতে প্লাবিত হওয়া সিলেট ও সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় এখনও পানি রয়েছে। তবে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সোমবার কয়েকটি শর্তে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র আবারও পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

ভারতের মেঘালয়ে অতিভারী বৃষ্টিপাতের কারণে রোববার থেকে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়তে শুরু করে। এতে সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঢলের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। একই সময়ে জাফলং পর্যটন এলাকায় শতাধিক দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের বিভিন্ন অংশ পানির নিচে তলিয়ে যায়।

সোমবার সকাল থেকে নদ-নদীর পানি কিছুটা কমতে শুরু করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সিলেটের তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির স্তর ছিল ১১ দশমিক ৬৮ মিটার, যা সকাল ৯টায় কমে ১১ দশমিক ৬০ মিটারে নেমে আসে। সিলেট পয়েন্টে একই সময়ে পানির স্তর ৯ দশমিক ৪৪ মিটার থেকে ৯ দশমিক ৪১ মিটারে নেমেছে।

কুশিয়ারা নদীর অমলসিদ পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির স্তর ছিল ১৩ দশমিক ০৫ মিটার, যা সকাল ৯টায় কমে ১৩ দশমিক ০২ মিটারে দাঁড়ায়। শেওলা পয়েন্টে পানির স্তর ১০ দশমিক ৯৮ মিটার থেকে ১০ দশমিক ৯৫ মিটারে নেমেছে। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানির স্তর অপরিবর্তিত থাকলেও শেরপুর পয়েন্টে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া গোয়াইন নদীর পানিও কিছুটা কমেছে।

তবে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতক, দোয়ারাবাজার ও তাহিরপুর উপজেলার কয়েকটি এলাকা এখনও প্লাবিত রয়েছে। পাহাড়ি ঢলে আনোয়ারপুর এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সুনামগঞ্জ জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সরাসরি সড়ক যোগাযোগ এখনো স্বাভাবিক হয়নি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, ভারতের মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। এ কারণে উজান থেকে ঢলও নামছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নদ-নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেতে পারে।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ইউএনও মোহাম্মদ রবিন মিয়া বলেন, পানি কিছুটা কমে যাওয়ায় সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে ঢলের কারণে পানির স্রোত এখনও অনেক বেশি। পর্যটকদের সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সাঁতার না জানলে কেউ যেন পানিতে না নামেন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!