AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

ফরিদগঞ্জে প্রায় ২ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের এক মাসেই ধসের ঝুঁকি



ফরিদগঞ্জে প্রায় ২ কোটি টাকার সড়ক নির্মাণের এক মাসেই ধসের ঝুঁকি

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কেরোয়া ব্রিজ থেকে মিরপুর ব্রিজ পর্যন্ত সদ্য নির্মিত সড়কটি নির্মাণের মাত্র এক মাসের মধ্যেই ধসের ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রায় ১ কোটি ৯৩ লাখ ৭২ হাজার ৯২৮ টাকা ব্যয়ে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের বিভিন্ন স্থানে মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এতে সড়কের নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।

ফরিদগঞ্জ পৌর অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পটির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছিল মতলব ট্রেডিং-আর কে এন্টারপ্রাইজ (জেবি)। সম্প্রতি কাজ শেষ হওয়ার পর সড়কটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে এর বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের দুই পাশের মাটি ধসে নিচের দিকে সরে গেছে। ফলে সড়কের কিনারাজুড়ে বড় বড় ফাঁপা অংশ ও গর্ত তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে কয়েকটি স্থানে রাস্তার নিচের মাটি সরে যাওয়ায় যেকোনো মুহূর্তে ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভারী যানবাহনের চাপ কিংবা টানা বৃষ্টিপাতে সড়কের অংশবিশেষ ধসে পড়তে পারে।

এলাকাবাসীর পক্ষে সামছুল আলম রিপন ও আরিফ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, রাস্তার দুই পাশে পর্যাপ্ত মাটি সংরক্ষণ না করায় দুই পাশ থেকে মাটি সরে গিয়ে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা। তাদের দাবি, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের উদাসীনতার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

তারা আরও বলেন, সরকার জনগণের সুবিধার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে সড়ক নির্মাণ করেছে। কিন্তু নির্মাণের এক মাসের মধ্যেই রাস্তার দুই পাশ থেকে মাটি সরে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পুরো সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই দ্রুত সংস্কার, রাস্তার দুই পাশে টেকসইভাবে মাটি ভরাট এবং প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে কাজের মান যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানান স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কাজটি সম্পন্ন হলেও এখনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হয়নি। তদন্তে কোনো ধরনের অনিয়ম বা ত্রুটি পাওয়া গেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!