AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: খোলা রয়েছে ৪৪ জলকপাট


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি,লালমনিরহাট
০৫:৫৭ পিএম, ২১ জুন, ২০২৬

তিস্তায় পানি বৃদ্ধি: খোলা রয়েছে ৪৪ জলকপাট

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি হ্রাস বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার কারণে লালমনিরহাটের তিস্তাপাড়ের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

রবিবার (২১ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে দেখা গেছে। এর আগে সকাল ৬টায় পানির স্তর বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার নিচে এবং শনিবার একই সময়ে ১৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আপাতত পানি কিছুটা কমতে শুরু করলেও বন্যার শঙ্কা কাটেনি। আগামী ৫ দিন রংপুরসহ ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে। এর ফলে আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী ও কুড়িগ্রামের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে স্বল্পমেয়াদী বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে, পানির তীব্র স্রোতের আঘাতে গঙ্গাচড়া মহিপুর-কাকিনা আঞ্চলিক সড়কে তিস্তা সড়ক সেতুর উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। সেতুর সুরক্ষা বাঁধের সিসি (কংক্রিট) ব্লক ধসে পড়ে বাঁধের একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এতে সেতু ও আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশের অন্তত ছয়টি গ্রামের হাজারো মানুষ ও বিস্তীর্ণ কৃষিজমি নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

হাতীবান্ধার গড্ডিমারী গ্রামের কৃষক আনোয়ারুল হক বলেন, সকাল থেকে পানি বাড়ছে। শুনছি ভারত পানি ছেড়ে দিয়েছে। পানি এভাবে বাড়তে থাকলে চরাঞ্চলের ধানের চারা, বাদাম ও মিষ্টিকুমড়াসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। তিস্তাপারের আরেক কৃষক সুমন মিয়া জানান, তিস্তার পানি বাড়ছে-কমছে। এতে আমরা আতঙ্কে আছি। পানি আরও বাড়লে আমন ধানের বীজতলার চারা নষ্ট হয়ে যাবে।

লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনিল কুমার রায় জানান, ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যারাজের সবগুলো জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে এবং নদী তীরবর্তী মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। তিস্তার পানি এখন কিছুটা কমছে, তবে বৃষ্টি হলে পানি আবারও দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!