কেককাটা আর আলোচনা সভার মাধ্যমে পালিত হলো ঐতিহ্যবাহী শেরপুর প্রেসক্লাবের ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। রোববার (২৪ মে ) রাতে শহরের মাধবপুরস্থ শেরপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও কেক কাটার আয়োজন করা হয়।
এসময় ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মরহুম এডভোকেট জাকির হোসেন ও জয়নুল আবেদীনসহ প্রয়াত সকল সদস্যের সম্মানে দাঁড়িয়ে একমিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
পরে ক্লাবের সভাপতি কাকন রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ক্লাবের কার্যকরী সভাপতি রফিক মজিদ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুগনিউর রহমান মনি, সাবেক সভাপতি এডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হানিফ, কোষাধ্যক্ষ জুবাইদুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক নাঈম ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক দেবাশীষ সাহা রায়, জুবায়ের রহমান, তারিকুল ইসলাম, মেহেদি হাসান শামীম, আমিনুল ইসলাম রাজু, সুলতান আহমেদ ময়না, আরফান আলী প্রমুখ।
প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা তার বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর শেরপুর প্রেসক্লাব পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের স্থানীয় এমপিদের দখলে ছিলেন। প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চলতো নেতাদের কথায়। ৫ আগস্ট পরবর্তী এই কমিটি প্রায় দেড় বছরে আমরা সেই খাঁচা থেকে বের হয়ে এসে স্বাধীনভাবে কাজ করছি।
আমাদেরকে অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে এ পর্যন্ত আসতে হয়েছে। ষড়যন্ত্র এখনো চলছে, কিন্তু আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে ওইসব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করে যাব।
আমরা কোন রাজনৈতিক শক্তির কাছে মাথা নত করিনি। আগামী দিনেও আমরা এভাবে মাথা উঁচু করে স্বাধীনভাবে আমাদের পেশা এবং সংগঠনের কার্যক্রম চালাবো। এছাড়া তিনি গত বছর শেরপুর জেলার উন্নয়নে শেরপুর প্রেসক্লাবের আয়োজনে দেশের সর্ববৃহৎ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এর ফলশ্রুতিতে আমরা আগামী দিনে শেরপুরে রেললাইন, বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ পেতে যাচ্ছি। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় এচিভমেন্ট। তাই আগামী দিনে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে জেলার উন্নয়নসহ আমাদের পেশাগত মান উন্নয়ন এবং যেকোনো সাংবাদিকের উপর হামলা-মামলা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে একতাবদ্ধ থাকার অঙ্গীকার করছি।
এ সময় প্রেসক্লাব নির্বাহী কমিটি ও সাধারণ পরিষদের সদস্য সহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

