AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাঁধ ভেঙে ২০ গ্রাম প্লাবিত, দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা


Ekushey Sangbad
জেলা প্রতিনিধি,ময়মনসিংহ
০১:২৮ পিএম, ১৪ মে, ২০২৬

বাঁধ ভেঙে ২০ গ্রাম প্লাবিত, দুশ্চিন্তায় কৃষকেরা

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলায় অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পাকা বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল পানিতে তলিয়ে কৃষকেরা চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।

বুধবার (১৩ মে) রাত ১০টা পর্যন্ত হালুয়াঘাট উপজেলার মাজরাকুড়া, কুমারগাতী, তেলীখালী, কড়ইতলী, মহিষলেটি, গোবরাকুড়া, কালিয়ানিকান্দা, মনিকুড়া, রাংরাপাড়া, বুড়াঘাটসহ অন্তত ২০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।

একইভাবে ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া, গামারীতলা, কামালপুর, বাঘবেড়সহ কয়েকটি এলাকাও প্লাবিত হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত থেকে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এতে বুধবার সকালে হালুয়াঘাটের মাজরাকুড়া এলাকায় মেনংছড়া নদীর বাঁধ এবং মধ্য বোয়ালমারা এলাকায় বুড়াঘাট নদীর বাঁধ ভেঙে যায়। পরে বিকেলে ধোবাউড়ার দক্ষিণ গৌরিপুর এলাকায় নেতাই নদীর বাঁধও ভেঙে গেলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়।

বোয়ালমারা গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম বলেন, শুরু থেকেই তারা শঙ্কায় ছিলেন, শেষ পর্যন্ত বাঁধ ভেঙে ফসলি জমি পানির নিচে চলে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে ধান নষ্ট হয়ে যাবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে কামালপুর গ্রামের কৃষক আসাদ মিয়া জানান, তার আবাদ করা তিন কাটা জমির বোরো ধান সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে।

কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, হালুয়াঘাটে চলতি মৌসুমে ২২ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ৭০ হেক্টর জমির ধান ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধোবাউড়াতেও বেশ কয়েকটি গ্রামের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সাল আহমেদ বলেন, ভারী বৃষ্টির কারণে দুই ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে এবং কয়েকটি কাঁচা রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে পানি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ধোবাউড়া ইউএনও মো. মোশাররফ হোসেন জানান, গামারীতলা, ঘোষগাঁও ও দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহের উপপরিচালক মো. এনামুল হক বলেন, কিছু এলাকায় পানি ঢুকলেও এখনো বড় ধরনের ফসলহানির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়নি। তবে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ বাড়তে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!