একসময় যার হাসি-খুশিতে মুখর থাকতো পুরো পরিবার, আজ সেই হাবিবুল্লাহর প্রতিটি নিঃশ্বাস কাটছে মৃত্যুভয়ে জীবন কাটছে উদ্বেগ আর উৎকন্ঠায়। ১০ বছর পূর্বে স্ত্রী তাকমিনা দুধের বাচ্চা তাহিদ আর আদরের মেয়ে বুলবুলিকে রেখে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন।
পরবর্তীতে নতুন করে আর বিয়ে করা হয়ে উঠেনি। এরই মাঝে শরীরে বাসা বেঁধেছে জটিল রোগ। শরীরে প্রচুর পরিমাণে ছোট ছোট গুটিতে ভরে গেছে। সেই চিকিৎসার জন্য যে টাকা প্রয়োজন তা তার পরিবারের সাধ্যের অতীত।
পরিবারে সদস্যর পেটের ক্ষুধা আছে, কিন্তু তৃপ্তি মেটানোর সাধ্য নেই তার। কারণ, দীর্ঘ ১০ বছর ধরে বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের দুধবাড়ীয়া গ্রামের হাবিবুল্লাহ। একদিকে অসুস্থ শরীরে কেউ কাজে নিতে চায়না, অন্যদিকে রোগের যন্ত্রণা-সব মিলিয়ে থমকে গেছে হাবিবুল্লাহর জীবন।
অভাবের কাছে পরাজিত স্বপ্ন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হাবিবুল্লাহর। দীর্ঘদিনের চিকিৎসায় শুধুমাত্র বসতবাড়ি ছাড়া সহায়-সম্বল যা ছিল সব শেষ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বিশাল অংকের টাকা জোগাড় করা যেন তার কাছে আকাশকুসুম কল্পনা।
হাবিবুল্লাহর শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত থলথলে মাংসপিণ্ড`র গুটি দিনকে দিন বেড়েই চলছে। সচল দু`টি চোখের একটি মাংস পিন্ডের গুটিতে অচল হতে চলছে। তার ভালোবাসার ধন ছেলে-মেয়েদের কি হবে? তিনি ছাড়া তো ওদের আর কেউ নেই। বাঁচার আকুতি জানিয়ে হাবিবুল্লাহ একটা কথাই বলছেন আমাকে বাঁচান। তিনি তার জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য কামনা করেছেন।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

