দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেছেন, ‘দেশের হাওর ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ানোর পাশাপাশি বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র বসিয়ে বজ্র আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।’
রবিবার (১০ মে) দুপুরে কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নে দাশের হাটের ছড়া সংলগ্ন দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে উত্তরাঞ্চল এবং হাওর অঞ্চলে গত দুই তিন বছরে বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটছে। আমরা এসব অঞ্চলে আশ্রয়কেন্দ্র করে দেবো এবং সেখানে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন করে দেবো যাতে মানুষর প্রাণহানি না ঘটে।
আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে যেমন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে, সাইক্লোন শেল্টার যেমন রয়েছে একই আঙ্গিকে এখানে আমরা বজ্র আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করবো।’
খাল খনন কর্মসূচির ইতিবাচক দিক তুলে ধরে আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। খালের পানি দিয়ে কৃষকরা শুকনা মৌসুমে চাষাবাদ করতে পারবেন। খালের পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ করা যাবে, একই সঙ্গে মাছ চাষ করা হবে। খালের দুই ধারে গাছ লাগানো হবে। বনায়ন করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং তা হবে দৃষ্টিনন্দন। শুকনা মৌসুমে পানির স্বল্পতা দূর হবে আর বর্ষায় অতিরিক্ত পানি নির্গমন হবে।’
খনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী সংক্ষিপ্ত সুধী সমাবেশে বক্তব্য রাখেন। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেল বিএনপির সদস্য সচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবুসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

