শেরপুরের নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে একটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে কনের বাবাকে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে নকলা উপজেলার কায়দা গ্রামে স্থানীয় নকলা মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সী মুন্নি আক্তারের সঙ্গে একই উপজেলার জালালপুর মণ্ডলপাড়া গ্রামের আসিফের বিয়ের আয়োজন চলছিল।
বাল্যবিয়ের খবর জেলা প্রশাসক মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিনের নজরে এলে তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ সাদিয়া আফরিন এ্যানি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বাল্যবিয়ের সত্যতা পান।
এরপর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনে কনের বাবা মো. মাহিরকে ৭ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে মেয়ের আইনগত বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে দেবেন না—এ মর্মে তার কাছ থেকে লিখিত মুচলেকা নেওয়া হয়।
অভিযানকালে নকলা থানা পুলিশের সদস্য, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার প্রতিনিধি সাদিকুল ইসলাম, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাল্যবিবাহ একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের ঘটনার তথ্য পাওয়া মাত্রই দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি অভিভাবকদের সন্তানদের আইনসম্মত বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

