AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

খাগড়াছড়িতে কালবৈশাখীর প্রবল থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিখাত


Ekushey Sangbad
আবু রাসেল সুমন, খাগড়াছড়ি
০৪:২৫ পিএম, ১ মে, ২০২৬

খাগড়াছড়িতে কালবৈশাখীর প্রবল থাবায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষিখাত

কালবৈশাখীর প্রবল ঝড় ও ভারী বর্ষণে খাগড়াছড়িতে ফসলি জমি ও ফলবাগানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

বিস্তীর্ণ কৃষিজমি পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে যাওয়ায় পাকা বোরো ধান, মৌসুমি সবজি ও ফলবাগান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। টানা দুই দিনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাটিরাঙা ও দীঘিনালা উপজেলার নিম্নাঞ্চল।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ক্ষতিগ্রস্ত জমির পরিমাণ ৮৩২ হেক্টর। এর মধ্যে ২২১ হেক্টর বোরো ধান, ৬৩ হেক্টর মৌসুমি সবজি এবং ৫৪৮ হেক্টর ফলবাগান ক্ষতির মুখে পড়েছে।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা জানিয়েছেন, জমির প্রায় ৮০ শতাংশ ধান ইতোমধ্যে পেকে গিয়েছিল। এ অবস্থায় টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাটা ও পাকা ধান পানিতে তলিয়ে গিয়ে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা। দ্রুত সরকারি সহায়তা ও কৃষি পুনর্বাসন না হলে এই বিপুল ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হয়ে পড়বে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

দীঘিনালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত স্বল্প সময়ের মধ্যে হওয়ায় সবজি ও ফলবাগান দ্রুত পানিতে তলিয়ে যায়। উপজেলায় প্রায় ৩২৫ হেক্টর ফলবাগান, ১২৫ হেক্টর বোরো ধান ও ১৫ হেক্টর সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

দীঘিনালার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মো. ইব্রাহিম জানান, তিনি চার একর জমিতে সবজি চাষ করেছিলেন। কাটার অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু আকস্মিক বৃষ্টিতে পুরো ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যায়। এতে তার প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মাটিরাঙার কৃষক আবদুল লতিফ জানান, বোরো মৌসুমে তার জমির প্রায় ৮০ শতাংশ ধান পেকে গিয়েছিল। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কাটা ও পাকা ধান তলিয়ে গিয়ে তিনি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছেন। জমিতে পানি জমে থাকায় দ্রুত নিষ্কাশনও সম্ভব হচ্ছে না বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে ব্যাপকভাবে আম ঝরে পড়ায় ফলচাষিরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন। মাটিরাঙার বেলছড়ির কৃষক আবুল মিয়া জানান, তার ২০ একরের বাগান থেকে একদিনেই প্রায় ১ হাজার কেজি আম ঝরে গেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব প্রস্তুত করা হয়েছে। চূড়ান্ত তালিকা প্রণয়ন শেষে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। অনুমোদন সাপেক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!