নওগাঁর নিয়ামতপুরে শিক্ষার্থীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সবুজ হোসেন (২৫) নামের তার এক ভাগনেসহ আরও দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদেরকে বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অফিসার ইনচার্জ মাহবুবুর রহমান।
আটক ভাগনে সবুজ হোসেন পাশ্ববর্তী মান্দা উপজেলার পারনপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
নিহতরা হলেন, উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৪৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩৫), ৮ম শ্রেণির ছাত্র ছেলে পারভেজ (১৪) এবং ৩ বছর বয়সী শিশু কন্যা সাদিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
জানা যায়, সোমবার রাতে খাবার খেয়ে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে বাড়ির দরজা খোলা এবং রক্ত দেখে নিহতের বাবা ভেতরে গিয়ে চারজনের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা উপস্থিত হয়ে থানা পুলিশকে খবর দেয়।
খবর পেয়ে সকাল ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহগুলো নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ঘটনার পরপরই অভিযানে নেমে পুলিশ নিহতের ভাগনে সবুজ হোসেনকে আটক করে।
নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাবুবুর রহমান বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের ভাগনে সবুজ হোসেনকে আটক করে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। জমি সংক্রান্ত বিরোধ নাকি অন্য কোনো ব্যক্তিগত শত্রুতা থেকে এই নৃশংসতা ঘটেছে সেটাও দেখা হচ্ছে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

