মাদারীপুর জেলা পরিষদ কর্তৃক নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলো দিন দিন বেদখল হয়ে যাচ্ছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এগুলো ব্যবহার করতে পারছেন না যাত্রীরা। অনেক ছাউনি পরিণত হয়েছে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে; কোথাও গড়ে উঠেছে ওষুধের দোকান।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাদারীপুর জেলা পরিষদের অধীনে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। তবে এর বেশিরভাগই এখন ব্যবহারের উপযোগী নয়।
রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ বাসস্ট্যান্ডে জেলা পরিষদের একটি যাত্রী ছাউনি রয়েছে। সেখানে গড়ে উঠেছে ভ্রাম্যমাণ সেলুন ও ওষুধের দোকান।
একই অবস্থা সদর উপজেলার কলাবাড়ি এলাকার যাত্রী ছাউনির। সেখানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কোনো কোনো ছাউনিতে ফাটল ধরেছে। নেই টয়লেটের ব্যবস্থা, থাকে না পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থাও।
মাদারীপুর শহরের হাজির হাওলা গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বলেন, “পদ্মা সেতু চালুর পর থেকে আমি প্রতি সপ্তাহে ঢাকা যাই। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত। কিন্তু সেই তুলনায় তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। যাত্রীদের সুবিধার জন্য যে ছাউনিগুলো আছে, সেগুলোও বেদখল ও ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।”
বাসের জন্য অপেক্ষমাণ যাত্রী হানিফ মিয়া বলেন, “সাধুর ব্রিজ এলাকায় একটি যাত্রী ছাউনি আছে। কিন্তু সেটি কোনো কাজেই আসছে না। স্থানীয়রা দখল করে ব্যবসা করছেন।”
এ বিষয়ে মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার হোসেন শাহীন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয়রা যাত্রী ছাউনিগুলো দখল করে রেখেছে। এরই মধ্যে তাদের সরে যেতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। খুব শিগগির এগুলো দখলমুক্ত করার পাশাপাশি সংস্কার করে যাত্রীদের জন্য আবার চালুর ব্যবস্থা করা হবে।
একুশে সংবাদ/যাবিদ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

