গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার কলাবাড়ী ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে এখন চলছে বাঙ্গির মৌসুম। এ অঞ্চলের কৃষকদের জন্য বাঙ্গি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল।
মৌসুম এলেই ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে কৃষকরা ক্ষেত থেকে পাকা বাঙ্গি সংগ্রহ করে বিভিন্ন অস্থায়ী হাটে বিক্রির জন্য নিয়ে আসেন। গামলায় সাজানো এসব বাঙ্গি সাধারণত ক্রেতাদের আকর্ষণ করে। তবে বৃহস্পতিবার দৃশ্যটি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।
ভোর থেকে টানা বৃষ্টির কারণে বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। ফলে রাস্তার দুই পাশে বাঙ্গি সাজিয়ে রেখে নিরুপায় হয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় বসে থাকতে দেখা গেছে কৃষকদের।
বিক্রি না হওয়ায় লোকসানের শঙ্কায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। প্রকৃতির বৈরী আচরণ যেন এক নিমিষেই কৃষকের কষ্ট আর স্বপ্নকে ভিজিয়ে দিয়েছে। এখন ক্রেতার আশায় প্রহর গুনছেন তারা।
কলাবাড়ী ইউনিয়নের নলুয়া গ্রামের কৃষক অসিত বলেন, “আমি ৮ গামলা বাঙ্গি বিক্রি করেছি মাত্র ৮০০ টাকায়। গতকাল একই বাঙ্গির দাম ছিল ১,৮০০ টাকা।”
অপরদিকে, মাদারীপুর থেকে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে পাকা বাঙ্গির চাহিদা কমে গেছে। এতে বাঙ্গি কিনলেও বিক্রি করতে সমস্যা হবে বলে তারা আশঙ্কা করছেন।
একুশে সংবাদ/যাবিদ



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

