AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

তানোরে বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় অস্বস্তিতে জনজীবন


Ekushey Sangbad
সারোয়ার হোসেন, তানোর, রাজশাহী
০৭:০৮ পিএম, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

তানোরে বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রায় অস্বস্তিতে জনজীবন

চলতি বছরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা বিরাজ করছে রাজশাহীর তানোরে। হঠাৎ করেই তাপপ্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় অস্বস্তিতে পড়েছে জনজীবন। খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত এ উপজেলায় বর্তমানে আলু উত্তোলন, ধান রোপণ এবং আগাম বিলপাড়ের বোরো ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক, কৃষাণী ও শ্রমিকরা। তবে গত বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দুপুর ১২টার আগেই মাঠ থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন শ্রমিকরা। রাস্তাঘাটেও যানবাহনের উপস্থিতি কমে গেছে।

জাহাঙ্গীর নামের এক ব্যক্তি জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি মুন্ডুমালায় তেলের খোঁজে যান। কিন্তু চাহিদামতো তেল পাননি। তিনি বলেন, “আজ তাপমাত্রা অনেক বেশি ছিল। মুন্ডুমালা থেকে ফেরার সময় তাপপ্রবাহ আরও বেশি মনে হয়েছে। গত বৃহস্পতিবারের তুলনায় শুক্রবার তাপমাত্রা বেশি অনুভূত হচ্ছে। বাইক নিয়ে রাস্তায় বের হলেই মুখমণ্ডলে তাপ লেগে জ্বালাপোড়া করছে।”

থানা মোড়ে দুপুর ১২টার পর থেকে সাড়ে ৩টা পর্যন্ত তেমন যানবাহন দেখা যায়নি। হাটবাজারেও মানুষের উপস্থিতি ছিল কম। কালীগঞ্জ হাটেও একই চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা পণ্য নিয়ে বসে থাকলেও ক্রেতার অভাব ছিল।

ভ্যানে করে পেয়ারা বিক্রেতা লিটন জানান, সকালে কিছুটা বেচাকেনা হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্রেতা কমে যায়। তিনি বলেন, “তাপপ্রবাহের কারণে হাটে লোকজন নেই। আজ চলতি বছরের সবচেয়ে বেশি গরম পড়েছে। বিক্রি কম হওয়ায় লোকসান গুনতে হবে। নিজেও রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না।”

অটোভ্যান চালক তৈয়ব বলেন, “আজ তাপমাত্রা বেশি, আবার ছুটির দিন হওয়ায় যাত্রীও কম। ভাড়া তেমন হচ্ছে না।”

শ্রমিক খাইরুল ও মোস্তফা জানান, “শুক্রবার তাপমাত্রা অনেক বেশি। মাঠে কাজ করতে গিয়ে টিকে থাকা যাচ্ছে না। শরীর জ্বলে যাচ্ছে, গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। ঘনঘন পানি পান করেও পিপাসা মিটছে না। এর মধ্যে বিদ্যুতের লোডশেডিংও বাড়ছে।”

শাকির নামের এক কৃষক বলেন, “সকাল ১০টার দিকে জমি দেখতে গিয়ে গরমে থাকা যায়নি। বাতাস নেই, তাপে শরীর জ্বলছে। দিনের বেলা সেচ কাজ পরিচালনা করা কষ্টকর। এভাবে তাপমাত্রা চলতে থাকলে রাতে সেচ দিতে হবে।”

ডলার নামের আরেকজন জানান, “দুপুর একটার পরে কালীগঞ্জ হাটে গিয়ে গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি।”

আবহাওয়ার ওয়েবসাইটের তথ্যমতে, শুক্রবার উপজেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সপ্তাহজুড়েই এমন তাপমাত্রা বিরাজ করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

একুশে সংবাদ/যাবিদ

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!