মৌলভীবাজারে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে স্থানীয় কয়েকটি পরিবার। শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৭টায় শহরের সার্কিট হাউস এলাকায় এই ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
ঈদের এই জামাতে ইমামতি করেন আবদুল মাওফিক চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। এতে এলাকার শতাধিক নারী ও পুরুষ মুসল্লি অংশ নেন।
এদিকে আগাম ঈদ উদযাপনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আলেম ও সচেতন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাদের দাবি, আগাম ঈদ উদযাপন ধর্মীয় বিধান স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং ফিতনা সৃষ্টি করা ছাড়া আর কিছু নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে অনেকেই ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।
স্থানীয় আলেমরা বলেন, ইসলামে চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে ঈদের দিন নির্ধারিত হয় এবং নির্ধারিত দিনের আগে ঈদ উদযাপন করা শরীয়তসম্মত নয়। সৌদি আরব বা অন্য দেশের সাথে তাল মিলিয়ে, স্থানীয় চাঁদ দেখার নীতি লঙ্ঘন করে আগাম ঈদ করা কোরআন সুন্নাহে বর্ণিত রোজা ঈদ পালনের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক।
নবীজি বলেন, তোমরা চাঁদ না দেখে রোজা রাখবে না এবং চাঁদ না দেখে রোজা ছাড়বে না। যদি মেঘ ইত্যাদির কারণে চাঁদ না দেখা যায় তাহলে মাস ত্রিশ দিনে পূর্ণ করবে।
আগাম ঈদ জামাত বিষয়ে আবদুল মাওফিক চৌধুরী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আমরা রোজা শুরু করেছিলাম। তাই তাদের সঙ্গে মিল রেখেই আজ আমাদের ঈদ উদযাপন হচ্ছে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

