কুমিল্লার তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে দীর্ঘদিনের আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ানো জরাজীর্ণ ও মৃত গাছগুলো অবশেষে অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বন বিভাগের প্রতিনিধি দল সরেজমিনে পরিদর্শন করে গাছগুলো নাম্বারিং সম্পন্ন করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, দ্রুতই এগুলো কেটে সরিয়ে নেওয়া হবে।
দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের প্রধান ভবনের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শুকনো গাছগুলো সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছিল। স্থানীয় সাংবাদিকরা জনস্বার্থে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিষয়টি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে রিপোর্ট করছিলেন। ঝোড়ো হাওয়ায় গাছ ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় তিতাসবাসী ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলেন।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ সরফরাজ হোসেন খান জানান, তিতাস উপজেলায় বন বিভাগের কোনো স্থায়ী কার্যালয় না থাকায় প্রক্রিয়াটি কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে বন বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বন বিভাগের প্রতিনিধি দল ইতিমধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ গাছগুলো চিহ্নিত ও নাম্বারিং সম্পন্ন করেছেন। আশা করা হচ্ছে খুব দ্রুত এগুলো কেটে সরিয়ে জনদুর্ভোগের অবসান ঘটানো হবে।
নাম্বারিং সম্পন্ন হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তবে তারা জানিয়েছেন, নাম্বারিংয়ের পর আর বিলম্ব হওয়া উচিত নয়, কারণ যেকোনো কালবৈশাখী বা আকস্মিক ঝড়ের সময় এই নড়বড়ে গাছগুলো বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
দীর্ঘদিন পর প্রশাসনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন সচেতন মহল। তিতাসের সাধারণ মানুষ দ্রুততম সময়ে গাছগুলো কেটে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

