AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ০৯ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

পেঁয়াজের দাম কম থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত সালথার চাষীরা


Ekushey Sangbad
আবুল বাসার, সালথা, ফরিদপুর
০৫:৫৮ পিএম, ১২ মার্চ, ২০২৬

পেঁয়াজের দাম কম থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত সালথার চাষীরা

পেঁয়াজ উৎপাদনে দেশের অন্যতম উপজেলা ফরিদপুর জেলার সালথা, উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাঠে শুরু হয়েছে পেঁয়াজ উঠানো, পেঁয়াজ আবাদ খরচের তুলনায়, দাম কম থাকায় কৃষকের লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানান স্হানীয় কৃষকেরা।

পেঁয়াজ উৎপাদন খরচের সঙ্গে বাজারদরের তফাৎ থাকায় হতাশ তারা,গত বছরের তুলনায় এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে, তবে কৃষকদের দাবি, সার, বীজ, কীটনাশক, শ্রমিক মজুরি ও সেচ খরচ মিলিয়ে প্রতি মণ পেঁয়াজ উৎপাদনে খরচ হয়েছে প্রায় ১৪০০ থেকে ১৫০০টাকা, বাজারে পেঁয়াজের দাম কম থাকায় লাভের তুলনায় লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের, এ বছর ৯০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দেশি পেঁয়াজ বাজারে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে,যা উৎপাদন খরচের তুলনায় দাম অনেক কম,বাজারে বিক্রি করতে গিয়ে মণ প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে।

উপজেলার সালথা সদর বাজারসহ অন্যান্য বাজারের পেঁয়াজ হাটে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে ক্রেতার তুলনায় বিক্রেতার সংখ্যা বেশি। নগদ টাকার জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় অনেকেই বাধ্য হয়েই লোকসানে পেঁয়াজ বিক্রি করে মলিন মুখে বাড়িতে পিরছেন তারা।

সালথা বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষক শেখ সাদী বলেন,কীটনাশক, সার ও ওষুধের দাম অনেক বেশি। মণ প্রতি ১৫০০ টাকা খরচ করে এখন ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা বিক্রি করছি,এতে মন প্রতি ৫০০থেকে ৬০০ টাকা লচ হচ্ছে। এই দামে পেঁয়াজ বিক্রি করে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত।

উপজেলার ভাওয়াল গ্রামের কৃষক রিয়াজ ৩ বিঘা জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করে দুশ্চিন্তায় আছেন। তিনি বলেন, ভালো দাম না পেলে ভবিষ্যতে আমাদের পেঁয়াজ চাষ কুমিয়ে দিতে হবে।

সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুদর্শন সিকদার বলেন, পেঁয়াজের দাম মূলত বাজারের চাহিদার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত প্রতি বছর মৌসুমের শুরুতে পেঁয়াজের দাম মোটামুটি ভালো থাকে, তবে চলতি বছরে ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে বাজারে চাহিদা তুলনামূলক কম থাকায় দামও কম।

এ অবস্থায় অনেক কৃষক ধারদেনা পরিশোধের জন্য বাধ্য হয়ে কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। তবে কৃষকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যদি সম্ভব হয় তাহলে পেঁয়াজ কিছুদিন সংরক্ষণ করে রাখা উচিত। পরবর্তীতে বাজারে চাহিদা বাড়লে তখন বিক্রি করলে তারা ভালো দাম পেতে পারেন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!