AB Bank
  • ঢাকা
  • শনিবার, ০৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

আগামীতে তরমুজ চাষীদের টাকা পরিশোধ করবেন সরকার : মহিবুল্লাহ এনিম



আগামীতে তরমুজ চাষীদের টাকা পরিশোধ করবেন সরকার : মহিবুল্লাহ এনিম

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সর্বদক্ষিণ ও প্রত্যন্ত দ্বীপাঞ্চল চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তরমুজ চাষকে কেন্দ্র করে বিরোধ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। একাধিক চর দখলকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটেছে। এতে গুরুতর আহত হয়ে অনেককে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে।

এ বিষয়ে যুব অধিকার পরিষদের পটুয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিবুল্লাহ এনিম বলেছেন, তরমুজকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, ঘাটে বাধা দেওয়া বা তরমুজ আটক করা যাবে না। যে কৃষক তরমুজ চাষ করবেন, তিনি নিজেই তার ফসল তুলবেন।

তিনি বলেন, “আমি ঘোষণা দিচ্ছি—আগামীতে যারা এই চরগুলোতে তরমুজ চাষ করবেন, তাদের কোনো চরের জন্য একটি টাকাও দিতে হবে না। প্রয়োজনে আমরা নিজেদের পকেট থেকে সরকারকে রাজস্ব পরিশোধ করব। কিন্তু কৃষকরা বিনামূল্যে জমি পাবেন। আমরা ভূমিহীন কৃষকদের পাশে আছি। নির্বাচনের আগে যেমন অঙ্গীকার করেছি, এখনো সেই অঙ্গীকার রক্ষা করব—কথায় নয়, কাজে প্রমাণ করব।”

বুধবার (৪ মার্চ) রাত ৮টার দিকে গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা বাজারে গণঅধিকার পরিষদের ইউনিয়ন কার্যালয়ে ভূমিহীন কৃষকদের নিয়ে এক সমঝোতা বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মহিবুল্লাহ এনিম আরও বলেন, নির্বাচনের আগে ও পরে এ এলাকার মানুষের ভোটে জাতীয় নেতা নুরুল হক নূর এমপি নির্বাচিত হয়েছেন এবং পরে প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। সেই জায়গা থেকে এই জনপদের মানুষের প্রতি তার দায়বদ্ধতা রয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা শুনতে পেয়েছি, পূর্বের বিরোধের জেরে প্রকৃত তরমুজ চাষিরা ফসল বিক্রির সময় বাধার মুখে পড়ছেন। বিশেষ করে চরবিশ্বাসের চরবাংলা, চর পোটকা, পাঙ্গাশিয়ার চর, দশমিনার লালচর, চর ফাতেমা ও চর বোরহানসহ বিভিন্ন চরে এ ধরনের সমস্যা চলছে। বিষয়টি আমরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি।”

তিনি আরও জানান, বিষয়টি পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসকের কাছেও তুলে ধরা হয়েছে। গলাচিপা সফরের সময় ডিসি কার্যালয়ে বসেও তিনি এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। এ ছাড়া গলাচিপা থানা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গেও একাধিকবার বৈঠক করা হয়েছে।

মহিবুল্লাহ এনিম বলেন, অতীতে দেখা গেছে কিছু সিন্ডিকেট ও দালাল চক্র এক জমি একাধিকবার ক্রয় করে প্রত্যয়ন ও ডিসিআর নিয়েছে। পরে এসব নিয়ে মামলা হয়েছে, ডিসিআর বাতিল হয়েছে এবং প্রত্যয়নও বাতিল করা হয়েছে। এসব ঘটনার কারণে জটিলতা তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা অতীত নিয়ে পড়ে থাকতে চাই না। ভবিষ্যতের দিকে এগোতে চাই। মানুষের জীবনমান উন্নয়নের জন্য কাজ করব। দল-মত, ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে উঠে একটি কল্যাণমুখী সমাজ গড়ে তুলতে চাই।”

গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন, যাতে সরকারি সুবিধা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়। তিনি বলেন, দলের লোক বা আত্মীয় হলেও কোনো ধরনের সুপারিশ চলবে না।

এ সময় তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রতিকূল আবহাওয়া ও নদীপথের দুর্যোগ সত্ত্বেও সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হয়েছেন। তিনি জানান, গলাচিপা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল—বিশেষ করে চরবাংলা ও পোটকার চরে গিয়ে তারা স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের সমস্যার কথা শুনেছেন।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!