AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন

চিতলমারীতে ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে জাকারিয়া মিলন


Ekushey Sangbad
স্টাফ রিপোর্টার
০৪:১০ পিএম, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চিতলমারীতে ভোটারদের পছন্দের শীর্ষে  জাকারিয়া মিলন

‎চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লায় বইতে শুরু করেছে নির্বাচনী হাওয়া।

আর এই নির্বাচনী আলোচনায় উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক চাহিদার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন তৃণমূলের পরীক্ষিত ও ত্যাগী নেতা জাকারিয়া মিলন। বর্তমান চিতলমারী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের (চলতি দায়িত্ব) দায়িত্বে থাকা এই নেতাকেই নিজেদের জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চাইছেন এলাকাবাসী।
‎জনগণের আস্থা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার:
‎চিতলমারী উপজেলার কলিগাতী গ্রামের (বর্তমান আড়ুয়াবর্ণী)  এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করা মোঃ জাকারিয়া মিলন ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

স্নাতক পাস এই উচ্চশিক্ষিত নেতার রয়েছে এক দীর্ঘ ও সফল রাজনৈতিক পথচলা, যা তাকে সাধারণ মানুষের খুব কাছাকাছি নিয়ে গেছে।

শেরে বাংলা ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি হিসেবে তিনি প্রথম তাঁর নেতৃত্বের সক্ষমতার প্রমাণ দেন। এরপর চিতলমারী উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম আহ্বায়ক, সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে বিভিন্ন মেয়াদে সাফল্যের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

শুধু উপজেলাতেই নয়, বাগেরহাট জেলা ছাত্রদল এবং জেলা যুবদলের সদস্য হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। বর্তমানে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হিসেবে সংগঠনকে সুসংগঠিত করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর এই রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সাংগঠনিক দক্ষতার কারণেই এলাকার মানুষ তাঁকে যোগ্য প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করছেন।
‎ত্যাগের মূল্যায়ন করতে চান ভোটাররা:
‎সাধারণ ভোটারদের মতে, জাকারিয়া মিলনের জনপ্রতিনিধি হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো তাঁর আত্মত্যাগ। রাজনীতির মাঠে তাঁর পথচলা মোটেও মসৃণ ছিল না।

আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন থাকায় বারবার রাজনৈতিক মামলা, হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি। তাঁর নামে সর্বমোট ১৬টি রাজনৈতিক মামলা দায়ের করা হয়, যার মধ্যে ৯টি থেকে তিনি বেকসুর খালাস পেয়েছেন এবং ৭টি বিচারাধীন।

রাজনৈতিক কারণে তাঁকে ৪ বার কারাবরণও করতে হয়েছে। এছাড়া ২ বার রাজনৈতিক হামলার শিকার এবং ২ বার তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।

হিজলা ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক হোসেন মোল্লা  (৬০), বড়গুনির আব্বাস শেখ (৫৫), বাবুগঞ্জ  শহিদুল ইসলাম শেখ (৭২), পাটরপাড়ার  ফরহাদ তালুকদার (৬৫) জানান, এতসব জুলুম-নির্যাতন সত্ত্বেও জাকারিয়া মিলন মাঠ ছাড়েননি, বরং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন। তাঁর এই অবিচল অবস্থান সাধারণ ভোটারদের মনে গভীর আস্থার জন্ম দিয়েছে।
‎জনগণের প্রত্যাশা:
‎এলাকার সাধারণ জনগণ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন, মোঃ জাকারিয়া মিলনের মতো একজন শিক্ষিত, পরীক্ষিত এবং ত্যাগী নেতার জনপ্রতিনিধি হওয়া এখন সময়ের দাবি।

ৎউপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পেলে তিনি চিতলমারীর সাধারণ মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন, দুর্নীতি প্রতিরোধ এবং সমাজ সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন বলে এলাকাবাসী দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে।

তাই আসন্ন নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ তাঁকে বিপুল সমর্থনে জয়যুক্ত করতে মুখিয়ে আছেন।

আসন্ন নির্বাচন ও জনগণের বিপুল সমর্থন প্রসঙ্গে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে মোঃ জাকারিয়া মিলন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, ছাত্রজীবন থেকেই আমি চিতলমারীর সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।

মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতি করতে গিয়ে বারবার যে জেল-জুলুম, হামলা ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছি, তাকে আমি ত্যাগ নয়, বরং জনগণের প্রতি আমার দায়িত্ববোধের অংশ মনে করি।

এলাকার সাধারণ মানুষ আজ যেভাবে আমাকে ভালোবেসে আপন করে নিয়েছেন, তাতে আমি সত্যিই অভিভূত। জনগণ যদি আমাকে তাঁদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেন, তবে একটি দুর্নীতিমুক্ত, বৈষম্যহীন ও আধুনিক চিতলমারী উপজেলা গড়তে আমি আমার সর্বোচ্চটুকু দিয়ে কাজ করে যাব।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!