AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

শেরপুরে ইফতারিতে ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তি’


Ekushey Sangbad
শ্রীবরদী উপজেলা প্রতিনিধি, শেরপুর
০৯:১৯ পিএম, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শেরপুরে ইফতারিতে ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তি’

শেরপুরে ইফতারিতে রোজাদারদের বাড়তি আকর্ষণ ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তি’ খোরমা খেজুর থেকে শুরু করে লাচ্ছি, বোরহানি, কলা, মুড়ি, পেঁয়াজো, লাড্ডু, বুনদিয়া আরো কত রকম খাবার। কিন্তু এসবের মধ্যে ইফতারের তালিকায় ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তির’ কদর নারী-পুরুষ সব বয়সী মানুষের কাছেই।

রোজাদারদের কাছে ইফতার উৎসবের সন্ধ্যাকে আরো একটু আনন্দময় করতে এর যেন জুড়ি নেই। আর ভোজন বিলাসী মানুষ মাত্রই ইফতারে চান ঘোষপট্টির মাষকলাইয়ের আমিত্তি।

শেরপুর জেলার প্রসিদ্ধ মিষ্টির মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এই ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তি’। এ মিষ্টি মূলত শরৎকালে তৈরি হলেও এখন রমজান মাসে এটি তৈরি করে রোজাদারদের নিকট বিক্রি করা হচ্ছে। তাই এখন ইফতারিতে ঝাল খাবারের পাশাপাশি রোজাদারদের নিকট এ মিষ্টি এক বাড়তি আকর্ষণ হিসেবে পরিণত হয়েছে।

স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় রমজান মাসে এই মিষ্টির চাহিদা বেড়ে হয় কয়েক গুণ। বিশেষ করে ইফতার আয়োজনে এ মিষ্টির রয়েছে ভীষণ কদর। আর তাই এ মিষ্টির জন্য প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক ক্রেতার সমাগম ঘটে শহরের ঘোষপট্টির মিষ্টির দোকানগুলোয়।

শেরপুরের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি ছানার পায়েশের মতো অত্যন্ত জনপ্রিয় মিষ্টি হচ্ছে ‘মাষকলাইয়ের আমিত্তি’। এর মূল উপকরণ হচ্ছে মাষকলাই। সাথে আতপ চালের গুড়া। শহরের মুন্সিবাজার ঘোষপট্টির দুর্গাচরণ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক মঙ্গল চন্দ্র ঘোষ জানান মাষকলাইয়ের আমিত্তি তৈরি করার পদ্ধতি। তিনি বলেন, প্রথমে কাঁচা মাষকলাইয়ের ডাল ভালো করে ভিজিয়ে রেখে শিলপাটায় গুড়ো করা হয়।

এরপর তাতে পরিমাণ মতো চালের গুড়ো মেশানো হয়। এরপর কাঁচা আমিত্তি তৈরি করে উচ্চ তাপমাত্রায় তেলে ভাজা হয়। পরে ভাজা আমিত্তিগুলো চিনি দিয়ে মিশ্রিত শিরায় কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে তা বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। আর এভাবেই তৈরি হয় এই সুস্বাদু মিষ্টি।

বর্তমানে শহরের ঘোষপট্টির দুর্গাচরণ মিষ্টান্ন ভান্ডার, রাজবল্লভ মিষ্টান্ন ভান্ডার, নন্দ গোপাল মিষ্টান্ন ভান্ডার, প্রেমানন্দ গ্র্যান্ড সন্স, শ্রীকৃষ্ণ মিষ্টান্ন ভান্ডারসহ বিভিন্ন দোকানে এই মিষ্টি প্রতি কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।

চলতি রমজান মাসে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৪০০ কেজি আমিত্তি বিক্রি হয় বলে মিষ্টি ব্যবসায়ীরা জানান। রোববার বিকেলে ঘোষপট্টির দুর্গাচরণ মিষ্টান্ন ভান্ডারে মাষকলাইয়ের আমিত্তি কিনতে আসা শহরের গৃদানারায়ণপুর এলাকার গৃহবধূ মারিয়া আক্তার বলেন, এই আমিত্তি অত্যন্ত সুস্বাদু।

রমজান মাসে ইফতারিতে এটি রোজাদারদের কাছে এক বাড়তি আকর্ষণ। তাই প্রায় প্রতিদিনই তাঁরা ইফতারিতে অন্যান্য খাবারের সাথে ডাইলের আমিত্তিও খেয়ে থাকেন।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

সর্বোচ্চ পঠিত - সারাবাংলা

Link copied!