হাসান মামুন বলেন বলেন, পটুয়াখালী-৩ আসনের মনোনয়ন নিয়ে যে তালবাহানা ও খেলা শুরু হলো, একপর্যায়ে আমরা দেখলাম বিএনপি মনোনয়ন না দিয়ে সম্পূর্ণ গণবিচ্ছিন্ন এক জোটের নেতাকে এখানে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে গলাচিপা উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি এবং সকল সাংগঠনিক ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনে নির্দলীয় প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।
রবিবার বিকেল ৪টায় গলাচিপা মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এই সিদ্ধান্তের পর আমি দল থেকে পদত্যাগ করার পরও আমাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমি দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে, তা মেনে নিয়ে নির্বাচনের পথে অটল থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের উপজেলা, অঙ্গসংগঠন, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটিগুলো ভেঙে দেওয়া হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীকে পদবঞ্চিত করা হয়েছে। তারপরও আমরা সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ, প্রতিদ্বন্দ্বীতা এবং বিজয় অর্জনের শপথ নিয়েছি।
হাসান মামুন বলেন, ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র, হয়রানি ও অপপ্রচার চলছে। তবুও আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি নিরাপদ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সব অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ও মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আজকের মতো নানা বাধা উপেক্ষা করে আপনারা মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। আগামী নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই আপনারা ভোটকেন্দ্রে লাইনে দঁাড়িয়ে ভোট দেবেন।
তিনি বলেন, আজ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা হয়েছে, হয়রানি করা হয়েছে। তবুও আমাদের কর্মীরা মাঠে আছে। মনে রাখবেন জনসমুদ্রের উত্তাল ঢেউ বালু দিয়ে আটকে রাখা যায় না। আগামী নির্বাচনে আপনারা আপনাদের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করবেন। এরপর একটি নতুন গণতান্ত্রিক অধ্যায়ের সূচনা হবে।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

