সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ’র দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বি স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি ব্যারিস্টার মো. আনোয়ার হোসেন ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইয়াসীন খান। এসময় তিনজনের মধ্যে বাগ—বিতন্ডা হয়।
শনিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুনামগঞ্জ—৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই—বাছাই কালে এমন প্রশ্ন তোলা হয়। এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া কারো কোন আপত্তি থাকলে নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে বলেন। এসময় প্রায় ৮ মিনিট ধরে প্রার্থীদের মধ্যে বিতর্ক হয়।
ব্যারিস্টার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ সেলফ ডিক্লেয়ার্ড ব্রিটিশ সিটিজেন।
এসময় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া বলেন, আমরা মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদের হলফনামা গ্রহণ করেছি, আপনার কোন আপত্তি থাকলে আপনি নির্বাচন কমিশন বরাবর আপিল করতে পারেন। কয়ছর আহমদ ঘোষণা দিয়েছেন তিনি ব্রিটিশ নাগরিক নন।
এই পর্যায়ে সংলাপে যোগ দেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ইয়াসীন খান। তিনি বলেন, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ যুক্তরাজ্যে বিএনপির সেক্রেটারী (সাবেক), আমাদের আপত্তি যুক্ত করে আপনি হলফনামা গ্রহণ করুন। যখন আমরা আপিলে যাবো তখন যেনো বলতে পারি এ ব্যাপারে শুরুতেই আমরা আপত্তি তুলেছিলাম। এসময় অভিযোগের নোট দিয়ে হলফনামা নির্বাচন কমিশন বরাবর পাঠানোর দাবি তুলেন ইয়াসীন খান।
মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ নিজের হলফনামা পর্যালোচনা করে বলেন, আমি দ্বৈত নাগরিক নই, সেজন্য হলফনামায় ‘না’ শব্দের উপর টিক চিহ্ন দেয়া হয়েছে।
মনোনয়নপত্র যাচাই—বাছাই শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ বলেন, একজন প্রার্থী কে কী বললো, কী চাইলো.....সেটা তাকে জিজ্ঞেস করেন। তিনি আরও বলেন, আচরণবিধির মধ্যে যেটা পড়বে অথরিটি সেই সিদ্ধান্তই নেবে এবং সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এসময় নির্বাচনী কাজের দায়িত্বশীলরা সুন্দরভাবে দায়িত্ব পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

