আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন যাচাই বাছাইয়ে রাজশাহী-১ ( তানোর - গোদাগাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব)শরিফ উদ্দিন ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এবং এবি পার্টির প্রার্থী ড. আব্দুর রহমান মুহাসেনীর প্রার্থীতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নং কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক আফিয়া আকতার।
শনিবার (৩জানুয়ারি) সকালের দিকে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে প্রার্থীদের যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত হয়।তবে এই আসনে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মো.আল সায়াদের মনোনয়নপত্রে মৃত ভোটারের স্বাক্ষর পাওয়া যায় এবং প্রস্তাবকারী হিসেবে দেয়া ১০ জন ভোটারের কাউকেই যাচাইয়ের জন্য পাওয়া যায়নি।
বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেকের ১০ জন প্রস্তাবকারীর মধ্যে ৬ জনকে না পাওয়ায় তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়।এছাড়া দলীয় প্রধান ও দলীয় সমর্থনের ফরমে স্বাক্ষরের অসঙ্গতির কারণে গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মীর মোহাম্মদ শাহজাহানের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করলেও আপিলের সুযোগ রয়েছে।
এডভোকেট সুলতানুল ইসলাম তারেকের অনুসারীরা জানান, প্রাথমিক পর্যায়ে যাচাই বাছাইয়ে বাতিল হতেই পারে। কিন্তু ভোটের মাঠে আমরা থাকব। যেহেতু আপিলের সুযোগ রয়েছে। সেহেতু আপিল করা হবে। আশা করা যায় আপিলে প্রার্থীতা ফিরে পাওয়া যাবে এবং তৃনমুলের আশা ভরসা নিয়ে ভোটের মাঠে থাকবেন তিনি । কারন তারেক মনোনয়ন ফরম জমা দিত না। কিন্তু তানোর গোদাগাড়ীর বিএনপির তৃনমূল থেকে শুরু করে উপজেলা পর্যায়ের অধিকাংশ নেতারা ভোটের মাঠে তারেককে দেখতে চায়। একারনেই ভোটের মাঠে থাকা হবে। তবে আগামী ২০ জানুয়ারি প্রত্যাহারের শেষ দিন। এজন্য অপেক্ষা করতে হবে। অনেক নাটকীয় ঘটনাও ঘটে যেতে পারে।
একপ্রতিক্রিয়ায় তারেক জানান, অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা পায়নি। দ্রুত কাগজ পত্র ঠিক করার কারনে অনেক জায়গায় অসঙ্গতি থাকতে পারে। আমি ইসিতে আপিল করব, সেখানে বৈধতা না পেলে উচ্চ আদালতে যাওয়া যাবে। সব ধরনের সুযোগ রয়েছে। সুতরাং তৃনমুল নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার এবং অপেক্ষা করার আহবান জানান।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

