AB Bank
  • ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

বাথরুম গুলোকে নকলের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে শিক্ষার্থীরা


Ekushey Sangbad
কবি নজরুল সরকারি কলেজ, প্রতিনিধি
০২:১৭ পিএম, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

বাথরুম গুলোকে নকলের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী কবি নজরুল সরকারি কলেজে পরীক্ষাকেন্দ্রে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের অনার্স শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক হারে নকল করার অভিযোগ উঠেছে ।

এ ধরনের অনিয়ম পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলাকে মারাত্মকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে বলে অভিযোগ কবি নজরুল কলেজের শিক্ষার্থীদের।

সরজমিনে দেখা গেছে, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার আগে থেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রের বাথরুমগুলোকে নকলের নিরাপদ স্থান হিসেবে ব্যবহার করছে। বাথরুমের জানালার কার্নিশ, ফ্লাশ ট্যাংকের ওপর ও দরজার পেছনে বই, গাইড ও হাতে লেখা নোট লুকিয়ে রাখছে।পরীক্ষার সময় সুযোগ বুঝে শিক্ষার্থীরা একাধিকবার বাথরুমে গিয়ে সেই বই ও নোট দেখে উত্তর মুখস্থ করে এবং নোট নিয়ে যাচ্ছে পরীক্ষারা হলে।

পরীক্ষা শেষে বাথরুমগুলোতে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকা বই, প্রশ্নোত্তর নোট ও কাগজের টুকরো পড়ে থাকতে দেখা যায়, যা নকলের স্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।বিভিন্ন শিক্ষার্থী গ্রুপে একের পর এক পোস্ট দিয়ে নকলের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা। অনেকেই পরীক্ষাকেন্দ্রে নকলের ছবি শেয়ার করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন। আবার অনেকে কলেজ প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় পরীক্ষার দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এসব পোস্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ দাবি করছে শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা নিয়ম মেনে পরীক্ষা দিচ্ছি, অথচ কিছু শিক্ষার্থী বাথরুমে বই রেখে নির্দ্বিধায় নকল করছে এটা খুবই হতাশাজনক। এতে যারা সৎভাবে পরীক্ষা দিচ্ছে,তারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া।

এ বিষয়ে কবি নজরুল সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ হায়দার মিঞার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা দ্রুত পদক্ষেপ নিবো।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!