শেরপুরের ঝিনাইগাতিতে বিএনপির নেতাকর্মীদের হামলায় জামায়াত নেতার মৃত্যুর প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।
বুধবাদ (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বিক্ষোভ মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ঘুরে বটতলা এলাকায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ।
বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা `সন্ত্রাসীদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে`, `বিএনপি খুন করে, নির্বাচন কমিশন কি করে`, `তারেক জিয়ার অনেক গুণ, চাঁদাবাজি আর মানুষ খুন, `বিএনপি খুন করে, ইন্টেরিম কি করে, `বিএনপি`র সন্ত্রাসীরা, হুশিয়ার সাবধান, `হোয়াট ইস ইউর প্ল্যান, চাঁদাবাজি আর মানুষ খুন`, `বিএনপি`র অনেকগুণ, চাঁদাবাজি আর মানুষ খুন` ইত্যাদি স্লোগান দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা শিবিরের প্লানিং এন্ড ডেভেলপমেন্ট সম্পাদক শাফায়েত মীর বলেন, অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা এক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখেছিলাম। ভেবেছিলাম দেশে রাজনীতির সুস্থ প্রতিযোগিতা হবে , কিন্তু হচ্ছে তার বিপরীত। আমরা ভেভেছিলাম তারেক রহমান দেশে এসে তার চাঁদাবাজ লোকদের নিয়ন্ত্রণ করবেন। আমাদের এই ভাবনা ভুল ছিল। আমরাও বলে দিতে চাই, আমাদের রক্ত নিয়ে খেলতে গেলে হাসিনার মতো দেশ থেকে পালাতে হবে। এদেশে থাকতে চাইলে জুলুৃমবাজি, চাঁদাবাজী, সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করুন।
শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ও জাকসুর জিএস মাজহারুল ইসলাম বলেন, হাজারও ছাত্রজনতার রক্তের বিনিময়ে আমরা যে নতুন বাংলাদেশ পেয়েছি, সেখানে নতুন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রত্যাশা করেছিলাম।
কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমরা আবার পুরনো সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দমনমূলক রাজনীতির পুনরাবৃত্তি দেখতে পাচ্ছি। শেরপুরে নির্বাচনী অনুষ্ঠানে হামলা ও পরবর্তী হত্যাকাণ্ড কোনো সংঘর্ষ নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। নারী নির্যাতন, মা-বোনদের উপর হামলা এবং মানবিক মর্যাদা লঙ্ঘন এ দেশের মানুষ কখনো মেনে নেবে না।
এসব ন্যাক্কারজনক কাজের জবাব জনগণ আগামী নির্বাচনে দেবে, ইনশাল্লাহ।
নির্বাচন কমিশন ও অন্তরবর্তীকালীন সরকারকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত ও হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

