পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ( পাবিপ্রবি) স্বাধীনতা হলে রিডিং রুমে নানাবিধ সমস্যায় ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা। প্রশাসনের নিরব ভূমিকায় অসন্তোষ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের আবাসিক সুবিধা দেওয়ার জন্য সর্বমোট চারটি আবাসিক হল রয়েছে। বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে দেশব্যাপী লোডশেডিং চলছে। তার ব্যতিক্রম ঘটেনি স্বাধীনতা ও মাতৃভাষা হলে। শিক্ষার্থীরা জানান লোডশেডিংয়ের সময় লাইটের ব্যবস্থা না থাকায় সাময়িক পড়াশোনার অসুবিধা হচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ১০ তলা বিশিষ্ট জুলাই-৬ হল ও গণতন্ত্র হলে সর্বদা লিফট সুবিধা দেওয়ার জন্য জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকায় হলগুলোতে লোডশেডিংয়ের সময় বিভিন্ন জায়গায় লাইট সুবিধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতা হল ও মাতৃভাষা হলে এই সুবিধা না থাকায় লোডশেডিয়ের সময় হলগুলো অন্ধকারাচ্ছন্ন অবস্থায় থাকে। শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের বইগুলো রেখে টেবিল দখল করে রেখেছে। যার ফলে অন্য শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা সমস্যা হচ্ছে।
আবাসিক হলগুলোর ব্যবস্থাপনায় শিক্ষার্থীদের রয়েছে ক্ষোভ ও অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন অভিযোগ করে আসছে।
২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন দৃশ্যমান হলেও স্বাধীনতা হলের রিডিং রুমে তা পরিলক্ষিত হয়নি। রিডিং রুমে নিয়মিত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। বিশেষ করে মশার তীব্র আক্রমণ, অপর্যাপ্ত লাইটিং ব্যবস্থা এবং ফ্যানের নানাবিধ ত্রুটি।
স্বাধীনতা হলের হল প্রভোস্ট মো. আল-ফাহাদ ভূঁইয়া বলেন, রিডিং রুমে চারটি এসি ডিসি লাইটের ব্যবস্থা করবো। জানালায় নেট দেওয়ার কথা বললে অনেক শিক্ষার্থী আপত্তির জন্য নেট দেওয়া হয়নি। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে হলের জন্য একটি জেনারেটরের আবেদন করবো। শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর যৌক্তিক। আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

