দারুণ উত্তেজনা আর পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে উঠেছে বিশ্বকাপের ফাইনাল। তবে একাধিক সুযোগ তৈরি হলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দল। ফলে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যকার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ হয়েছে গোলশূন্য সমতায়।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে স্পেন। হাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত লা রোজারা আর্জেন্টিনাকে কার্যত নিজেদের অর্ধে আটকে রাখে এবং একের পর এক আক্রমণ চালায়।
প্রথমার্ধের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে স্পেনের পক্ষে। লামিন ইয়ামালের ক্রস ডিফ্লেক্ট হয়ে দানি ওলমোর কাছে যায়। ওলমো চমৎকারভাবে বল ফিরিয়ে দিলে ইয়ামাল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে শট নেন। তবে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্টিনেজ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের যৌথ প্রচেষ্টায় নিশ্চিত গোল থেকে বঞ্চিত হয় স্পেন।
অন্যদিকে আর্জেন্টিনাও পাল্টা আক্রমণে কিছুটা হুমকি সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে লিওনেল মেসি গোলের সুযোগ তৈরি করতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন দ্রুত লাইন ছেড়ে বেরিয়ে এসে দারুণ দক্ষতায় সেই আক্রমণ ভেস্তে দেন।
ম্যাচে বিতর্কেরও জন্ম হয়। স্পেনের মিকেল ওয়ারজাবালের দারুণ এক ফ্লিক থেকে পেদ্রো পোরো এগিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ফাউল করেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। তবে স্লোভেনিয়ার রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ ফাউলের আবেদন নাকচ করে খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
প্রথম ২৩ মিনিটে মাত্র ৩২ শতাংশ বলের দখল রাখতে পারে আর্জেন্টিনা। এ সময় লিওনেল মেসি, নিকো গঞ্জালেজ ও হুলিয়ান আলভারেজ—এই তিন ফরোয়ার্ড মিলে মাত্র ১৭ বার বল স্পর্শ করেন, যা স্পেনের আধিপত্যেরই প্রতিফলন।
স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজনে তৃতীয় সেন্টার-ব্যাকের ভূমিকাও পালন করেন। বল দখল, আক্রমণ গঠন এবং প্রতিপক্ষের অর্ধে চাপ সৃষ্টি—সব মিলিয়ে প্রথমার্ধে স্পেনই ছিল বেশি প্রভাবশালী। তবে আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দৃঢ়তা দেখানোয় গোলশূন্যভাবেই বিরতিতে যায় দুই দল।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

