নকআউট পর্বে আবারও স্পেনের নায়ক মিকেল মেরিনো। বদলি হিসেবে মাঠে নেমে মাত্র এক মিনিটের ব্যবধানে গোল করে দলকে এনে দিলেন গুরুত্বপূর্ণ জয়। তার শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে স্পেন।
লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের হয়ে প্রথম গোল করেন ফাবিয়ান রুইজ। বেলজিয়ামের পক্ষে সমতা ফেরান শার্ল দে কেতেলারে। তবে ম্যাচের শেষ দিকে মেরিনোর গোলেই জয় নিশ্চিত হয় লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের। সেমিফাইনালে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে কিলিয়ান এমবাপ্পের ফ্রান্স।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখল ও আক্রমণে আধিপত্য দেখায় স্পেন। ৩০তম মিনিটে লামিন ইয়ামাল ও পেদ্রো পোরোর দারুণ সমন্বয়ের পর বক্সে তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফাবিয়ান রুইজ গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে ম্যাচে ফিরে আসে বেলজিয়াম। ৪১তম মিনিটে কেভিন ডি ব্রুইনার পাস থেকে তিমোথি কাস্তানিয়ের ক্রসে দারুণ এক হেডে গোল করেন শার্ল দে কেতেলারে। তার এই গোলে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম এবং এবারের বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো স্পেনের জালে বল জড়ায় প্রতিপক্ষ।
বিরতির পর দুই দলই একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা মিলছিল না। স্পেনের আক্রমণ বারবার রুখে দেন বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তবে ৭১তম মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। তার বদলি হিসেবে নামেন সেন্নে ল্যামেন্স।
ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্ত। ৮৭তম মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন মিকেল মেরিনো। মাত্র এক মিনিট পর পাউ কুবারসির দূরপাল্লার শট ল্যামেন্স ঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারলে ফিরতি বলে গোল করে স্পেনকে আবারও এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার।
যোগ করা সময়ের সাত মিনিটে সমতা ফেরানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা চালায় বেলজিয়াম। রোমেলু লুকাকুকে কেন্দ্র করে কয়েকটি আক্রমণ গড়ে তুললেও স্পেনের রক্ষণভাগ দৃঢ়তার সঙ্গে তা প্রতিহত করে।
শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে ২০১০ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠে স্পেন। শেষ চারের লড়াইয়ে তাদের সামনে অপেক্ষা করছে শক্তিশালী ফ্রান্স, যারা কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

