বিশ্বকাপে মাঠের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে তৈরি ফিফার বিশেষ পাওয়ার র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসি। গোলদাতাদের তালিকায়ও তিনিই সবার ওপরে রয়েছেন।
ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মূল্যায়নের জন্য এই বিশেষ র্যাংকিং প্রকাশ করে। সাবেক কোচ আর্সেন ওয়েঙ্গারের উদ্যোগে চালু হওয়া এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আউটফিল্ড খেলোয়াড়দের আক্রমণ, সৃজনশীলতা এবং রক্ষণ—এই তিনটি বিভাগে নম্বর দেওয়া হয়। গোলরক্ষকদের ক্ষেত্রে বল দখলে রাখা এবং গোলরক্ষা—এই দুই সূচকে মূল্যায়ন করা হয়।
তিন ম্যাচ শেষে মেসি ছয় গোল করে গোলদাতাদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো অ্যাসিস্ট করেননি, তবুও তার পারফরম্যান্স তাকে পাওয়ার র্যাংকিংয়ের এক নম্বরে তুলে এনেছে। তিন বিভাগে তার প্রাপ্ত স্কোর যথাক্রমে ৮.৪৯, ৬.৫৫ এবং ৫.১৭।
জার্মান ফরোয়ার্ড দেনিজ উনদাভের অবস্থান অবনতি হওয়ায় মেসি শীর্ষে উঠে আসেন। প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচের পর তার রেটিং কমে যাওয়ায় তিনি দুই ধাপ পিছিয়ে যান। চার ম্যাচে উনদাভের গোল তিনটি এবং অ্যাসিস্ট দুটি। তার স্কোর যথাক্রমে ৮.২৬, ৭.৩৭ ও ৪.৬২।
উনদাভের অবনতির ফলে ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেও এক ধাপ এগিয়েছেন। তিন ম্যাচে চার গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করা এমবাপ্পের তিন বিভাগে প্রাপ্ত স্কোর ৭.৮৫, ৬.২০ এবং ৪.৫৩।
অন্যদিকে, ব্রাজিলের হয়ে ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েও র্যাংকিংয়ে দুই ধাপ পিছিয়েছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। বর্তমানে তিনি ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন। তার স্কোর যথাক্রমে ৭.৬২, ৬.৫০ এবং ৪.৭৯।
ভিনিসিয়ুসের অবনতিতে এক ধাপ করে এগিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের জোহান মানজাম্বি এবং ফ্রান্সের উসমান দেম্বেলে। মানজাম্বির স্কোর ৭.৬৬, ৬.৭০ ও ৪.৮৫। অন্যদিকে দেম্বেলের স্কোর ৭.৬২, ৬.৭৭ ও ৪.৭৮।
এদিকে, বিশ্বকাপে দুটি গোল করা পর্তুগালের অধিনায়ক ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ফিফার পাওয়ার র্যাংকিংয়ে ৭৪তম অবস্থানে রয়েছেন। তার তিন বিভাগে প্রাপ্ত স্কোর যথাক্রমে ৫.৮২, ৫.০৬ ও ৪.৭৭। আর ব্রাজিলের তারকা নেইমার সীমিত সময় মাঠে নামায় ফিফার শীর্ষ ১০০ খেলোয়াড়ের তালিকায় জায়গা পাননি।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

