বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে সেনেগালের কঠিন চ্যালেঞ্জ উতরে জয় পেয়েছে ফ্রান্স। প্রথমার্ধে গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ৩-১ গোলের জয় তুলে নিয়েছে ফরাসিরা। দলের জয়ে জোড়া গোল করে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে।
বুধবার (১৭ জুন) নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তোলে সেনেগাল। বরং কয়েকটি আক্রমণে ফ্রান্সকে চাপে ফেলে আফ্রিকার দলটি।
২৫তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের উদ্দেশে বাড়ানো এক থ্রু পাস থেকে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও তার শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরে ৪০তম মিনিটে সাদিও মানের দূরপাল্লার শটও সহজেই সামাল দেন ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনান। ফলে বিরতিতে দুই দলই গোলশূন্য অবস্থায় মাঠ ছাড়ে।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ধারাবাহিক আক্রমণ চালাতে থাকে ফ্রান্স। ৫৪তম মিনিটে মাইকেল ওলিসের প্রচেষ্টা দুর্দান্তভাবে রুখে দেন সেনেগালের গোলরক্ষক এডুয়ার্ড মেন্ডি। এরপর ৫৮তম মিনিটে এমবাপের একক সুযোগও নষ্ট হয় মেন্ডির অসাধারণ সেভে।
তবে ৬৬তম মিনিটে আর ভুল করেননি এমবাপে। মাইকেল ওলিসের নিখুঁত পাস থেকে ডান দিক দিয়ে ঢুকে নিচু শটে বল জালে পাঠিয়ে ফ্রান্সকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন তিনি।
এর দুই মিনিট পর নিকোলাস জ্যাকসন গোল করলেও অফসাইডের কারণে সেটি বাতিল হয়, ফলে সমতায় ফেরার সুযোগ হারায় সেনেগাল।
৮২তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ব্র্যাডলি বারকোলা। আদ্রিয়ান রাবিওর বাড়ানো পাস থেকে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন তিনি।
ইনজুরি সময়ের পঞ্চম মিনিটে ইব্রাহিম এমবায়ের গোলে ব্যবধান ২-১ করে আশা জাগায় সেনেগাল। তবে সেই আশা বেশিক্ষণ টিকতে দেননি এমবাপে। যোগ করা সময়ের পরের মিনিটেই দূরপাল্লার দুর্দান্ত শটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোল করে ফ্রান্সের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
২০০২ বিশ্বকাপে সেনেগালের বিপক্ষে হারের স্মৃতি পেছনে ফেলে এবার জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ফ্রান্স। আর এমবাপের জোড়া গোলে দলটি শিরোপা লড়াইয়ে নিজেদের শক্ত অবস্থানের বার্তাও দিল।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

