পাকিস্তানের বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে দারুণ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সালমান আলি আগা। দীর্ঘ সময় উইকেটে থেকে বাংলাদেশের বোলারদের হতাশ করলেও শেষ পর্যন্ত সেই জুটি ভাঙেন স্পিনার তাইজুল ইসলাম।
দুই ব্যাটারের ১৩৪ রানের জুটিতে ম্যাচে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছিল পাকিস্তান শিবিরে। তবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সালমান আগাকে বোল্ড করে ব্রেকথ্রু এনে দেন তাইজুল। ২২৪ বল মোকাবিলা করে ৭১ রান করে ফিরেন আগা। তার বিদায়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ২৯৬ রান।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের রান ৬ উইকেটে ৩০১। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন আরও ১৩৭ রান, অন্যদিকে বাংলাদেশের দরকার শেষ ৪ উইকেট।
দিনের শুরুতেই পাকিস্তানকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি আব্দুল্লাহ ফজল। গালিতে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৬ রান করে ফেরেন তিনি। এরপর মেহেদি হাসান মিরাজের শিকার হন ওপেনার আজান আওয়াইস। ২১ রান করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন তিনি।
দুই ওপেনারের বিদায়ের পর বাবর আজম ও শান মাসুদ ইনিংস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন। তৃতীয় উইকেটে ৯২ রানের জুটি গড়ে দলকে এগিয়ে নেন তারা। তবে ৪৭ রান করা বাবরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম। লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই তারকা ব্যাটার।
এরপর আবারও আঘাত হানেন নাহিদ রানা। ৬ রান করা সৌদ শাকিলকে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিতে বাধ্য করেন তিনি। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ নিলেও শেষ রক্ষা হয়নি শাকিলের।
পরে পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদও সাজঘরের পথ ধরেন। ৭১ রান করা মাসুদকে শর্ট লেগে ক্যাচ বানিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট তুলে নেন তাইজুল। এতে ১৬২ রানেই ৫ উইকেট হারায় পাকিস্তান।
এর আগে প্রথম ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ৩৯০ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। সেই সুবাদে পাকিস্তানের সামনে ৪৩৭ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড়ায়।
একুশে সংবাদ/ এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

