শেষ মুহূর্তে চাপ সামলে দাঁড়ান মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। তার ৭ বলে ১৭ রানের ঝড়ো ইনিংস এবং শেখ মেহেদীর সঙ্গে ধৈর্যশীল জুটিতে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৩৯ রানে হারের পর বাংলাদেশ দ্বিতীয় ম্যাচে ছিল জয়ের বিকল্পহীন সমীকরণে। সেই চাপে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স উপহার দিয়ে টাইগাররা ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফেরাল। আয়ারল্যান্ড আগে ব্যাট করে ৬ উইকেটে তোলে ১৭০ রান। জবাবে লিটন দাসের হাফসেঞ্চুরি ও শেষ দিকে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ঝড়ো ক্যামিওতে জয় ছিনিয়ে নেয় বাংলাদেশ।
লক্ষ্য তাড়ায় পারভেজ হোসেন ইমন ও তানজিদ হাসান তামিম দ্রুত রান তুলে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। কিন্তু রান আউটে কাটা পড়েন তানজিদ—৭ রানে ফেরেন তিনি। দলীয় স্কোর তখন ২৭।
এরপর ইমন ও লিটন ইনিংসকে এগিয়ে নেন। দুজনে মিলে গড়েন ৬০ রানের জুটি। কিন্তু হাফসেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়ে ২৮ বলে ৪৩ রান করে গ্যারেথ ডেলানির বলে ডকারেলের হাতে ক্যাচ দেন ইমন।
ইমন ফিরলেও লিটন দাস সাইফ হাসানকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস ধরে রাখেন। লিটন তুলে নেন দারুণ হাফসেঞ্চুরি। কিন্তু ৩৭ বলে ৫৭ রান করে এলবিডব্লিউ হন মার্ক অ্যাডায়ারের বলে। সাইফ হাসানও ১৭ বলে ২২ রান করে ডেলানির শিকার হন।
রান আউটে ৬ রান করে ফেরেন তাওহীদ হৃদয়। নুরুল হাসান সোহানও দলকে হতাশ করেন—৫ রান করে আউট। চাপে পড়ে বাংলাদেশ।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে দুর্দান্ত সূচনা পায় আয়ারল্যান্ড। পল স্টার্লিং ও টিম টেক্টর প্রথম ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক খেলেন। ৫৭ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন তানজিম হাসান সাকিব—১৪ বলে ২৯ রান করা স্টার্লিং ক্যাচ দেন সাইফউদ্দিনের হাতে।
পাওয়ার প্লেতে ৭৫ রান তুলে ফেলে আইরিশরা—বাংলাদেশের বিপক্ষে তাদের সর্বোচ্চ। কিন্তু এরপরই ম্যাচে ফিরে আসে টাইগাররা।
একই ওভারে টিম টেক্টর (২৫ বলে ৩৮) ও হ্যারি টেক্টরকে ফেরান শেখ মেহেদী। ফেরার ম্যাচে তিনি ৪ ওভারে মাত্র ২৫ রানে নেন ৩ উইকেট।
এরপর জর্জ ডকরেল ও লরকান টাকার ৫৬ রানের জুটি গড়ে আয়ারল্যান্ডকে বড় সংগ্রহের পথে রাখেন। তবে সাইফউদ্দিনের স্লোয়ারে ২১ বলে ১৮ রান করে ডকরেল ক্যাচ দেন। টাকারের ৪১ রানে ভর করে ১৭০ রানে থামে তাদের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে মেহেদী নেন ৩ উইকেট; সাইফউদ্দিন ও তানজিম নেন একটি করে উইকেট।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

