জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের অংশ জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সমঝোতায় পাওয়া ৩০টি আসনের মধ্যে ২৭টিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। অবশিষ্ট তিনটি আসনের প্রার্থী খুব শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে দলটি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ২৭টি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের নাম ও ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশ করা হয়। পোস্টারগুলোতে ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা–১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর–৪ আসনে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা–৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড়–১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা–৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এবং নোয়াখালী–৬ আসনে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ প্রার্থী হয়েছেন।
এ ছাড়া ঢাকা–১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, লক্ষ্মীপুর–১ আসনে মাহবুব আলম, সিরাজগঞ্জ–৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, নরসিংদী–২ আসনে সারোয়ার তুষার, নারায়ণগঞ্জ–৪ আসনে আবদুল্লাহ আল আমিন, বান্দরবান আসনে এস এম সুজা উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মাওলানা আশরাফ মাহদী, চট্টগ্রাম–৮ আসনে জোবাইরুল হাসান আরিফ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অন্য ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন—দিনাজপুর–৫ আসনে মো. আবদুল আহাদ, নোয়াখালী–২ আসনে সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, ঢাকা–১৯ আসনে দিলশানা পারুল, ঢাকা–২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ, কুড়িগ্রাম–২ আসনে আতিক মুজাহিদ, ময়মনসিংহ–১১ আসনে জাহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল–৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, ঢাকা–৯ আসনে জাবেদ রাসিন, গাজীপুর–২ আসনে আলী নাছের খান, মুন্সিগঞ্জ–২ আসনে মাজেদুল ইসলাম, পিরোজপুর–৩ আসনে শামীম হামিদী এবং নাটোর–৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদির।
এ বিষয়ে এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন রোববার বিকেলে জানান, এখন পর্যন্ত ২৭টি আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং বাকি তিনটি আসনের বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশে এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াত, এনসিপিসহ ১০টি রাজনৈতিক দল ২৫৩টি আসনে নির্বাচনী সমঝোতার ঘোষণা দেয়। যদিও এই জোটে থাকার কথা থাকলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত অংশ নেয়নি এবং তারা এককভাবে ২৬৮টি আসনে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছে।
এই নির্বাচনী ঐক্যের শরিক হিসেবে এনসিপি বর্তমানে ৩০টি আসনে নির্বাচন করছে। যদিও দলটির ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামী আন্দোলন সরে যাওয়ার পর এনসিপি আসন সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিষয়টি এখনও আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

