AB Bank
  • ঢাকা
  • শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:২১ পিএম, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬

গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম

গোপালগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করলে শুনানি শেষে তার প্রার্থিতা পুনর্বহাল করা হয়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ইসিতে শুনানি শেষে কমিশন আশরাফুল আলমের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।

এ সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে সরিয়ে দিতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আপত্তি তোলা হচ্ছে, কাগজপত্র নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং শুনানি প্রক্রিয়ায় নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হচ্ছে। এর ফলে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং ভোটাধিকার সংকুচিত হচ্ছে।

সোমবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে আশরাফুল আলমের পক্ষে আইনগত প্রতিনিধিত্ব করেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। শুনানি শেষে তিনি জানান, আশরাফুল আলম ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে বিএনপির সংসদ সদস্য ছিলেন এবং দীর্ঘদিন দলটির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। বর্তমানে তিনি স্বতন্ত্র বিএনপি প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। অতীতেও নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে জগ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি জয়ী হয়েছেন।

শাহরিয়ার কবির অভিযোগ করেন, এই স্বতন্ত্র বিএনপি প্রার্থী যেন নির্বাচনে থাকতে না পারেন— সে লক্ষ্যেই পরিকল্পিতভাবে তার মনোনয়ন নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। মনোনয়নপত্রের একটি স্বাক্ষর নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করা হলেও শুনানিতে প্রমাণ দেখানো হয়েছে যে সংশ্লিষ্ট নারী ভোটার নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। এরপরও একপর্যায়ে বলা হয়, স্বাক্ষরটি তার নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রিজাইডিং কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী অন্যান্য প্রার্থীর কাগজপত্র সঠিক থাকলেও কেবল একজন প্রার্থীর ক্ষেত্রেই আপত্তি তোলা হয়েছে। এমনকি শুনানির সময় এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী উপস্থিত হয়ে আশরাফুল আলমের প্রার্থিতা বাতিলের দাবি জানান, যাতে তিনি স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে না পারেন।

ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, ভোট হলো জনগণের আমানত। স্বতন্ত্র বিএনপি প্রার্থীদের এভাবে নির্বাচনের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা স্পষ্ট ষড়যন্ত্র এবং এটি নির্বাচনী প্রকৌশল বা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর উদাহরণ। এ ধরনের কৌশল শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষের জন্যই মঙ্গলজনক নয়।

তিনি বলেন, ভয়ভীতি বা কৃত্রিম পদ্ধতিতে নির্বাচনের ফল প্রভাবিত করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। আশরাফুল আলম অতীতে মেয়র ও ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এবং ২০০৯ সালে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। নৌকার বিপক্ষে জগ প্রতীক নিয়ে তার বিজয়ের নজির রয়েছে। এমনকি কঠিন রাজনৈতিক সময়েও তিনি তিনবার চেয়ারম্যান ও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ এখন তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত জনগণই ব্যালটের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে— কে জয়ী হবে, কে পরাজিত হবে।

সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, আপিল নিষ্পত্তির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি। ২১ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তারা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ দেবেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

 

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!