অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের স্বাধিকার থেকে স্বাধীনতা অর্জনের ধারাবাহিক সংগ্রামে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় অধ্যায়।
‘ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ঐতিহাসিক ছয় দফা, পরবর্তীতে ১১ দফা কর্মসূচি এবং ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিক লড়াইয়ের ফলেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করে।
তিনি বলেন, স্বৈরাচারী শাসন ও দমননীতির বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসজুড়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি সেই আন্দোলন এক পর্যায়ে ব্যাপক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ওইদিন সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন অমান্য করে রাজপথে নামলে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান মল্লিকসহ মকবুল, আনোয়ার, রুস্তম, মিলন, আলমগীরসহ আরও অনেকে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ঊনসত্তরের শহীদদের আত্মত্যাগ পরবর্তী সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সংগ্রামে, এমনকি সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তরুণ সমাজকে সাহস ও প্রেরণা জুগিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই ঐতিহাসিক দিনে গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। ঊনসত্তরের চেতনা ধারণ করে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বাণীর শেষাংশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের মুক্তি ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আত্মদানকারী সব শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করেন।
একুশে সংবাদ/এ.জে



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

