AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
পাকিস্তানে শপিং কমপ্লেক্সে আগুন

একটি দোকান থেকে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০৯:৩৬ এএম, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬

একটি দোকান থেকে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার

পাকিস্তানের বাণিজ্যিক রাজধানী করাচির ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে ৩০ জনের অগ্নিদগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) করাচির দক্ষিণ জোনের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আসাদ রাজা এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, গুল প্লাজার দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত ‘দুবাই ক্রোকারিজ’ নামের একটি দোকান থেকে এসব মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি নিহতদের পরিচয় শনাক্তে কাজ চলছে।

আসাদ রাজা আরও বলেন, নতুন করে উদ্ধার হওয়া ৩০ জনকে নিয়ে গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ জনে। এ ছাড়া এখনো ৪০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৭ জানুয়ারি) করাচির অন্যতম বৃহৎ শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। প্রথমে প্লাজার বেসমেন্টে আগুন লাগে, যা অল্প সময়ের মধ্যেই পুরো ভবনে ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়।

আগুনের তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের প্রায় ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে।

১৯৮০ সালে নির্মিত পাঁচতলা গুল প্লাজাটি একটি ফুটবল মাঠের চেয়েও বড় আয়তনের এবং এখানে এক হাজার ২০০টিরও বেশি দোকান রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডে এসব দোকানের অধিকাংশই সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এর আগে করাচিতে এত বড় পরিসরের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা দেখা যায়নি।

ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ হতাহতের সংখ্যা বেশি হওয়ার জন্য প্লাজা কর্তৃপক্ষের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করেছে। করাচি ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজকে জানান, গুল প্লাজায় মোট ২৬টি ফটক থাকলেও সাধারণ চলাচলের জন্য মাত্র দুটি খোলা থাকত। অগ্নিকাণ্ডের সময়ও অধিকাংশ ফটক বন্ধ থাকায় শত শত মানুষ ভবনের ভেতরে আটকা পড়েন। পাশাপাশি মার্কেটের অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থাগুলোও কার্যকর ছিল না বলে জানা গেছে।

ব্রিফিংয়ে ডিআইজি আসাদ রাজা বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আগুন থেকে বাঁচতে দোকানটির শাটার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেটিই শেষ পর্যন্ত ভেতরে আটকে পড়া ব্যক্তিদের মৃত্যুর কারণ হয়। নিহতদের মধ্যে দোকানের মালিক ও কর্মচারীরাও রয়েছেন।”

তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এদিকে করাচির পুলিশপ্রধান ও কমিশনার সৈয়দ হাসান নাকভি জানিয়েছেন, গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে সিন্ধ প্রাদেশিক সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। কমিটি ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে
 

Link copied!