কিডনি রোগ অনেক সময় “নীরব ঘাতক” হিসেবে ধরা হয়, কারণ শুরুতে এর তেমন কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। ফলে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে কিডনির কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।
যখন রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে শুরু করে, ততক্ষণে ক্ষতি হয়েই যায়। দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু ছোট ছোট কাজ করা হয় যা কিডনির অবস্থার উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড খাওয়া এবং অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনির উপর অপ্রয়োজনীয় চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
যেসব লক্ষণে সতর্ক হবেন:
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিচের উপসর্গগুলো দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি—
# শরীর, মুখ বা পায়ে অস্বাভাবিক ফোলা
# প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া বা বেশি হওয়া
# প্রস্রাবে ফেনা বা রক্ত দেখা
# সারাক্ষণ ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব করা
# ক্ষুধামান্দ্য ও বমিভাব
#ঘন ঘন মাথা ঘোরা বা মনোযোগে সমস্যা
# উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না আসা
# কারা বেশি ঝুঁকিতে?
# ডায়াবেটিস রোগী
# উচ্চ রক্তচাপের রোগী
# স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজন
# দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবনকারী
# পরিবারে কিডনি রোগের ইতিহাস থাকলে
প্রতিরোধে করণীয়:
# পর্যাপ্ত পানি পান করা
# লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কম খাওয়া
# নিয়মিত রক্তচাপ ও সুগার পরীক্ষা করা
# চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ না খাওয়া
# বছরে অন্তত একবার কিডনি ফাংশন টেস্ট করা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সময়মতো শনাক্ত করলে কিডনি রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই উপসর্গগুলোকে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

