AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

নাক ডাকার সমস্যা কমানোর উপায়


Ekushey Sangbad
লাইফস্টাইল ডেস্ক
১০:০৭ পিএম, ১ এপ্রিল, ২০২৬

নাক ডাকার সমস্যা কমানোর উপায়

নাক ডাকা হলো ঘুমের সময় অপ্রয়োজনীয় শব্দ, যা সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির চেয়ে আশপাশের মানুষের জন্য বেশি বিরক্তিকর হয়ে ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি মূলত তখন ঘটে যখন শ্বাসনালীর পথ আংশিকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়।

এ অবস্থায় শ্বাসনালীর উপরের নরম টিস্যুগুলো একে অপরের সঙ্গে স্পর্শ করে কম্পন সৃষ্টি করে, যার ফলে নাক ডাকার শব্দ শোনা যায়। যদিও অনেকেই মাঝে মাঝে নাক ডাকেন, তবে নিয়মিত এবং উচ্চমাত্রার নাক ডাকা স্বাস্থ্যগত সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, ঘন ঘন নাক ডাকা স্লিপ অ্যাপনিয়া, স্থূলতা বা শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য জটিলতার লক্ষণ হতে পারে। তাই এ ধরনের সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

পুরুষদের মধ্যে নাক ডাকার প্রবণতা মহিলাদের তুলনায় বেশি। এছাড়া গলা বা ঘাড়ে অতিরিক্ত চর্বি, অবরুদ্ধ শ্বাসনালী, স্থূলতা বা অপরিমিত ঘুমও নাক ডাকার অন্যতম কারণ। যারা এই সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য রইলো কিছু কার্যকরী টিপস।

কাত হয়ে ঘুমানো
নাক ডাকার মাত্রা অনেকটাই নির্ভর করে ঘুমের অবস্থানের ওপর। স্লিপ ফাউন্ডেশনের গবেষণায় দেখা গেছে, পিঠের দিকে শুয়ে ঘুমালে নাক ডাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

মাথা সামান্য ডান বা বাম দিকে ঘুরিয়ে রাখা এবং কাত হয়ে ঘুমালে বাতাসের প্রবাহ সহজ করে এবং নাক ডাকা কমাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, ঘুমের আগে নাক ধুয়ে নেওয়া বা হালকা গরম পানিতে গোসল করাও কার্যকর হতে পারে।

সঠিক ওজন বজায় রাখা শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ নয়, এটি নাক ডাকার মাত্রাও কমাতে সাহায্য করে। অতিরিক্ত ওজন গলার টিস্যুকে চাপ দেয়, যা নাক ডাকায় ভূমিকা রাখে। নিয়মিত ব্যায়াম ও সুষম খাদ্যাভ্যাস নাক ডাকার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।

শোবার আগে ভারী বা মসলাদার খাবার খাওয়া নাক ডাকার মাত্রা বাড়াতে পারে। বিশেষ করে দুগ্ধজাত খাবার বা সয়া মিল্ক ঘুমের আগে নিলে গলার প্রদাহ ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিড উপরের পথ দিয়ে ফিরে এসে নাক ডাকার সমস্যা বাড়াতে পারে।

পিপারমিন্ট অয়েল, টি ট্রি অয়েল এবং ইউক্যালিপটাস অয়েল নাকের পথ পরিষ্কার করতে সহায়ক। ঘুমের আগে এগুলো ব্যবহার করলে নাক ডাকার মাত্রা কমানো সম্ভব এবং ঘুম আরও আরামদায়ক হয়।

নাকের ভিতরের অংশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখা এবং হালকা গরম পানিতে ধোয়া নাকের পেশি শিথিল করতে সাহায্য করে। এতে বাতাসের প্রবাহ সহজ হয় এবং নাক ডাকার সমস্যা কমে।

 

একুশে সংবাদ/ওজি

Link copied!