সাদা চালের তুলনায় লাল চাল পুষ্টিগুণে ভরপুর এবং উপকারী। এর কিছু প্রধান উপকারিতা নিচে দেয়া হলো-
বেশি ফাইবার সমৃদ্ধ
লাল চালের উপরের আবরণ (ব্রান) থাকে, তাই এতে ফাইবার বেশি। এটি হজম ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।
হৃদরোগের জন্য ভালো
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ
লাল চালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, ফলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
ফাইবার বেশি থাকায় দীর্ঘ সময় পেট ভরা থাকে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমে।
ভিটামিন ও খনিজে সমৃদ্ধ
এতে আয়রন, জিঙ্ক, ম্যাগনেসিয়াম ও বি-ভিটামিন থাকে, যা শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
হাড়ের জন্য উপকারী
ম্যাগনেসিয়াম ও ফসফরাস হাড় মজবুত রাখতে সহায়তা করে।
খেয়াল রাখবেন
নতুন করে খেতে শুরু করলে ধীরে ধীরে অভ্যাস করুন।
ভালোভাবে ধুয়ে ও ভিজিয়ে রান্না করলে সহজে হজম হয়।
একুশে সংবাদ/ওজি



একুশে সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

