AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী
শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা:

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১:৪৩ এএম, ৭ জুন, ২০২৬

আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার মৃত্যুদণ্ড

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৭ জুন) আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডের পাশাপাশি আসামি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অপরদিকে আসামি স্বপ্নাকে দণ্ডের পাশাপাশি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড ভিকটিম রামিসার আইনগত উত্তরাধিকার পাবে।

ক্ষতিপূরণ না দিলে আসামিদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ভিকটিম শিশু রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।

রায় ঘোষণার পর রাষ্ট্রপক্ষের বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর আজিজুর রহমান সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের অপরাধ প্রমাণ করা সম্ভব হয়েছে এবং এ রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, স্থানীয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা গত ১৯ মে সকালে বাসা থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা রামিসাকে খুঁজতে গিয়ে আসামিদের কক্ষের সামনে তার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্বপ্না আক্তারকে আটক করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় ২০ মে রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পর সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।

তদন্ত শেষে ২৪ মে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচারব্যবস্থায় মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর হওয়ার আগে উচ্চ আদালতে আপিল ও আইনগত পর্যালোচনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে হয়।

 

একুশে সংবাদ/ এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - আইন আদালত

Link copied!