AB Bank
  • ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে


Ekushey Sangbad
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৪:৫১ পিএম, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্ট নিয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করলে আদালত অবমাননার দায় নিতে হবে

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টকে কেন্দ্র করে কোনো মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করা হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে—এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কতা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ বা সম্প্রচারের আগে অবশ্যই সুপ্রিম কোর্টের মিডিয়া ফোকাল পার্সন অথবা রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে হবে। ভবিষ্যতে এ নির্দেশনা অমান্য করে অসত্য বা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশিত হলে তা আদালত অবমাননাকর কর্মকাণ্ড হিসেবে গণ্য হবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনানুগ দায়ভার বহন করতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগে আপিল বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ বিচারপতি এবং বেঞ্চ না পাওয়ার কারণে হাইকোর্ট বিভাগের এক বিচারপতি ছুটিতে গেছেন—এমন তথ্য টিভি স্ক্রলসহ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব তথ্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য।

এ ধরনের সংবাদ দেশের সর্বোচ্চ আদালত সম্পর্কে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করে এবং সুপ্রিম কোর্টের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এতে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট সম্পর্কিত ভুল তথ্য উপস্থাপন আদালত অবমাননার শামিল। সংশ্লিষ্ট সংবাদ প্রকাশের আগে রেজিস্ট্রি থেকে যাচাই করা হলে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয়, আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ব্যক্তিগত কারণে, বিশেষ করে তার মায়ের অসুস্থতার জন্য ছুটি নিয়েছেন। অন্যদিকে, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ শারীরিক অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি থাকায় সাময়িকভাবে বিচারকার্যে অংশ নিতে পারছেন না। এ ঘটনাগুলোর সঙ্গে গণমাধ্যমে প্রচারিত তথ্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

সর্বোচ্চ পঠিত - আইন আদালত

Link copied!