AB Bank
  • ঢাকা
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬,

সরকার নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

Ekushey Sangbad QR Code
BBS Cables
Janata Bank
  1. জাতীয়
  2. রাজনীতি
  3. সারাবাংলা
  4. আন্তর্জাতিক
  5. অর্থ-বাণিজ্য
  6. খেলাধুলা
  7. বিনোদন
  8. শিক্ষা
  9. তথ্য-প্রযুক্তি
  10. অপরাধ
  11. প্রবাস
  12. রাজধানী

উত্তর কোরিয়ায় যাচ্ছেন শি জিনপিং


Ekushey Sangbad
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১১:১৫ এএম, ৫ জুন, ২০২৬

উত্তর কোরিয়ায় যাচ্ছেন শি জিনপিং

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী সোমবার (৮ জুন) থেকে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়া যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন।

শুক্রবার (৫ জুন) চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া এবং উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় বার্তা সংস্থা কেসিএনএ পৃথকভাবে এ সফরের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

২০১৯ সালের পর এটিই উত্তর কোরিয়ায় শি জিনপিংয়ের প্রথম সফর। একই সঙ্গে ২০২৬ সালে এটি তার প্রথম বিদেশ সফর হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বেইজিং ও পিয়ংইয়ংয়ের সম্পর্ক আরও জোরদার করতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের এই যোগাযোগ আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সহযোগিতা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

বিশ্ব রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে, সফরকালে কোরীয় উপদ্বীপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে কয়েক দফা শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ ইস্যুতে কোনো স্থায়ী সমঝোতা হয়নি। সম্প্রতি ট্রাম্প প্রশাসন পুনরায় সংলাপের আগ্রহ দেখালেও উত্তর কোরিয়া তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে।

চলতি সপ্তাহে কিম জং উন একটি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র পরিদর্শন করে দেশের পারমাণবিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, যুক্তরাষ্ট্র নিরস্ত্রীকরণকে পূর্বশর্ত হিসেবে না রাখলে ভবিষ্যতে সংলাপের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, উত্তর কোরিয়ার প্রধান বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে চীনের জন্য পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি ও অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির বিষয়েও বেইজিং সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় বেইজিং-পিয়ংইয়ং সম্পর্ক কিছুটা শীতল হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়টি আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এ প্রেক্ষাপটে শি জিনপিংয়ের এই সফরকে দুই দেশের সম্পর্কের নতুন গতি সৃষ্টির প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা।

উল্লেখ্য, এ বছর চীন ও উত্তর কোরিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত ১৯৬১ সালের ‘বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি’র ৬৫তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এই চুক্তি এখনো চীনের একমাত্র সক্রিয় পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হিসেবে বিদ্যমান রয়েছে।

সূত্র: সিনহুয়া, কেসিএনএ ও সিএনএন

 

একুশে সংবাদ/এ.জে

Link copied!